আলু রফতানির বিরাট সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে: জাপানে কৃষিমন্ত্রী

Ayesha Siddika | আপডেট: ২৭ এপ্রিল ২০২৩ - ০৬:৩৫:৩৯ পিএম

ডেস্ক নিউজ : বৃহস্পতিবার (২৭ এপ্রিল) সকালে জাপানের টোকিওতে ওয়েস্টইন হোটেলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সফরসঙ্গী হিসেবে জাপান সফররত কৃষিমন্ত্রী· ড. মো. আব্দুর রাজ্জাকের সঙ্গে জাপানি কোম্পানীর শীর্ষ কর্মকর্তা সিয়া খাদো সাক্ষাৎ করে এ আগ্রহের কথা জানান। এসময় এসিআই এগ্রিবিজনেসের প্রেসিডেন্ট এফএইচ আনসারী উপস্থিত ছিলেন।

বৃহস্পতিবার কৃষি মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ তথ্য কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। কৃষিমন্ত্রী বলেন, দেশে বছরে এক কোটি টনের বেশি আলু উৎপাদন হয়। দেশে আলুর চাহিদা রয়েছে ৬০ থেকে ৭০ লাখ টন। দেশে বর্তমানে যেসব জাতের আলু উৎপাদিত হচ্ছে সেগুলোর চাহিদা বিদেশে অনেক কম। সেজন্য রপ্তানিযোগ্য ও শিল্পে ব্যবহার উপযোগী আলুর জাত সম্প্রসারণে গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে।

ইতোমধ্যে সরকারিভাবে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের (বিএডিসি) মাধ্যমে বিদেশ থেকে অনেকগুলো উন্নত জাত আনা হয়েছে। সেগুলো কৃষক পর্যায়ে সম্প্রসারণের কাজ চলমান আছে। পাশাপাশি, আলুকে আমরা অনিয়ন্ত্রিত ফসল বা ডিনোটিফায়েড ঘোষণা করেছিলাম যাতে করে বেসরকারিভাবে উন্নত জাত আনা সহজ হয়। এ ঘোষণার পর থেকে বেসরকারিভাবেও আলুর অনেক উন্নত জাত দেশে এসেছে, নিবন্ধিত হয়েছে, যোগ করেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, রফতানিযোগ্য এসব আলুর জাত চাষের ফলে আলু রপ্তানির বিরাট সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে।
বাংলাদেশ থেকে ভ্যালেন্সিয়া জাতের আলুর নমুনা নিয়ে জাপানের ল্যাবরেটরিতে টেস্ট করা হয়েছে বলে জানান জাপানি কোম্পানীর শীর্ষ কর্মকর্তা সেইয়া কাদৌ। তিনি কৃষিমন্ত্রীকে জানান, এ জাতের আলু মানসম্পন্ন ও সুস্বাদু।
 
আলুকে অনিয়ন্ত্রিত ফসল ঘোষণা বর্তমান সরকারের একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। এরই প্রেক্ষাপটে এসিআই সীড ২০২০ সালে এসিআই আলু-১০ (ভ্যালেনসিয়া) নামক আলুর বীজ নিবন্ধন পায়। যা নেদারল্যান্ডস থেকে আমদানিকৃত। জাতটিতে প্রায় ২১% ড্রাই মেটার আছে বিধায় এটি  শিল্পে ব্যবহার উপযোগী।

 

 

কিউটিভি/আয়শা/২৭ এপ্রিল ২০২৩,/সন্ধ্যা ৬:৩৪

▎সর্বশেষ

ad