ব্রেকিং নিউজ
মাঝ আকাশে দুই যুদ্ধবিমানের সংঘর্ষে ফিলিপিন্সের ৪ পাইলট নিহত প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে অর্থনৈতিক সহযোগিতায় নতুন গতির আশা টোকিওর সংবিধান সংশোধন: বিশেষ কমিটির নবম বৈঠক চলছে মিথ্যাচার করে সরকারের ভাবমূর্তি নষ্টের চেষ্টা করছে জামায়াত: রিজভী গাজীপুরে পোশাক কারখানার আগুন নিয়ন্ত্রণে শান্তিপূর্ণভাবে দুর্গাপূজা সম্পন্ন হওয়ায় রংপুর রেঞ্জ ডিআইজির কৃতজ্ঞতা হুমকিতে ব্যাংক-সরকারি পোর্টালে সাইবার হামলার আশংকা, উচ্চ সতর্কতা জারি প্রধানমন্ত্রীর সফরকালে জাপানে থাকবেন না রাষ্ট্রদূত শান্তিপূর্ণভাবে পূজা সম্পন্ন হওয়ায় আইজিপিকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের ধন্যবাদ কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে বিএনপির কমিটি বাতিলের দাবি, বিক্ষোভ ও কুশপুত্তলিকা দাহ

ইরানে হামলা না চালাতে ট্রাম্পকে রাজি করিয়েছে সৌদি আরব, কাতার, ওমান: সৌদি কর্মকর্তা

Ayesha Siddika | আপডেট: ১৬ জানুয়ারী ২০২৬ - ১২:৪৯:২৪ পিএম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : উপসাগরীয় এই তিন দেশ ‘ইরানকে ভালো মনোভাব দেখানোর একটা সুযোগ দিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে রাজি করানোর জন্য শেষ মুহূর্তের দীর্ঘ, উন্মত্ত, কূটনৈতিক প্রচেষ্টার নেতৃত্ব দিয়েছে। 

 নাম প্রকাশ না করার শর্তে এই কর্মকর্তা বলেন, সংলাপ অব্যাহত রয়েছে। বুধবার কাতারের একটি প্রধান মার্কিন সামরিক ঘাঁটি থেকে কিছু কর্মীকে সরিয়ে নেয়া হয় এবং সৌদি আরব ও কুয়েতে অবস্থিত মার্কিন মিশনের কর্মীদের সতর্কতা অবলম্বন করার জন্য পরামর্শ দেয়া হয়।  কারণ বিক্ষোভকারীদের উপর ইরানের দমন-পীড়নের ফলে মার্কিন হামলার আশঙ্কা বেড়ে গিয়েছিল।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বারবার সতর্ক করে দিয়েছে, ইরান বিক্ষোভকারীদের ওপর কঠোর হলে যুক্তরাষ্ট্র এতে হস্তক্ষেপ করতে পারে, অন্যদিকে তেহরান বলেছে যে, তারা মার্কিন সামরিক ও জাহাজ লক্ষ্যবস্তুতে হামলার মাধ্যমে প্রতিশোধ নেবে।

অনেক মার্কিন ঘাঁটি এবং সম্পদ উপসাগরে অবস্থিত।
কিন্তু বেশ কয়েকটি হুমকির পর ট্রাম্প তার অবস্থান পরিবর্তন করেন এবং বলেন যে তিনি ‘অন্য দিকের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সূত্র’ থেকে আশ্বাস পেয়েছেন যে, ইরান বিক্ষোভকারীদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করবে না। সৌদি কর্মকর্তা বলেন, উপসাগরীয় প্রচেষ্টার লক্ষ্য ছিল এই অঞ্চলে একটি অনিয়ন্ত্রিত পরিস্থিতি এড়ানো।

‘আমরা ওয়াশিংটনকে বলেছি, ইরানের উপর আক্রমণ এই অঞ্চলে একের পর এক ভয়াবহ আঘাতের পথ খুলে দেবে।’ কর্মকর্তা আরও যোগ করেন। 
আরেক উপসাগরীয় কর্মকর্তা বলেন, ‘ইরানকে যে বার্তা দেয়া হয়েছে তা হল, উপসাগরে মার্কিন স্থাপনাগুলোতে হামলার ফলে এই অঞ্চলের দেশগুলোর সাথে সম্পর্কের উপর গভীর প্রভাব পড়বে।
 
ডিসেম্বরে ইরানে দ্রব্যমূল্যের বৃদ্ধিতে বিক্ষোভে রাস্তায় নামেন দেশটির জনগণ। এরপর বিক্ষোভ সহিংস আকার ধারণ করে এবং বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে সরকার দমন-পীড়ন চালায়। পরে সেই বিক্ষোভ সরকারবিরোধী আন্দোলনে পরিণত হয়। ইরান প্রথমে বিক্ষোভকারীদের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড নির্ধারণ করলেও ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পর বিক্ষোভকারীর মৃত্যুদণ্ড স্থগিত করে তেহরান। 
 
সূত্র: মিডল ইস্ট আই

 

 

আয়শা/১৬ জানুয়ারী ২০২৬,/দুপুর ১২:৪৮

▎সর্বশেষ

ad