ইরান যুদ্ধে বিপাকে ইরাক, তেল-বাণিজ্যে বড় ধস

Ayesha Siddika | আপডেট: ১৭ মে ২০২৬ - ০৪:৪২:১৩ পিএম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : চরম রাজনৈতিক নাটকীয়তার দিকে যুক্তরাজ্যের ১০ ডাউনিং স্ট্রিট। ঋষি সুনাকের পর বিপুল জনসমর্থন নিয়ে ক্ষমতায় আসা লেবার পার্টির প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারও এখন ক্ষমতা হারানোর ঝুঁকিতে।

চলতি মাসের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে লেবার পার্টির ঐতিহাসিক ভরাডুবিই ডেকে এনেছে এই বিপর্যয়। জীবনযাত্রার আকাশছোঁয়া ব্যয় আর অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলায় ব্যর্থতার শাস্তি ব্যালট বাক্সে দিয়েছেন ব্রিটিশ নাগরিকরা। নির্বাচনে হারের পর ঘরের ভেতরেই শুরু হয়েছে আগুন। স্টারমারের ওপর ক্ষুব্ধ হয়ে মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ওয়েস স্ট্রিটিং। শুধু তাই নয়, দলের অন্তত ৮০ জন এমপি এখন সরাসরি দাবি তুলেছেন, স্টারমারকে পদ ছাড়তে হবে।

ব্রিটেনে মেয়াদ শেষ করার আগেই প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা হারানোর এই ধারা নতুন কিছু নয়। ২০১৬ সালের ব্রেক্সিট গণভোটের পর থেকে গত ১০ বছরে এই ভাগ্য বরণ করেছেন ৫ জন প্রধানমন্ত্রী। ব্রেক্সিট ইস্যুতে ক্যামেরন ও থেরেসা মে, নৈতিক কেলেঙ্কারিতে বরিস জনসন, অর্থনৈতিক মিনি-বাজেটের দায়ে মাত্র ৪৯ দিনে লিজ ট্রাস এবং সর্বশেষ নির্বাচনে হেরে বিদায় নেন ঋষি সুনাক।

বিশ্লেষকরা বলছেন, যুক্তরাজ্যের এই রাজনৈতিক অস্থিরতার মূলে রয়েছে তাদের সংসদীয় কাঠামো। সেখানে প্রধানমন্ত্রীকে টিকিয়ে রাখতে জনগণের সরাসরি ভোটের চেয়ে নিজ দলের এমপিদের সন্তুষ্ট রাখা বেশি জরুরি। আর ব্রেক্সিট কার্যকরের পর স্থায়ী অর্থনৈতিক মন্দা এই সংকটকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

এখন প্রশ্ন উঠছে, ১০ ডাউনিং স্ট্রিটের দরজা কি কিয়ার স্টারমারের জন্যও চিরতরে বন্ধ হতে চলেছে? দলের ভেতরের এই অনাস্থার ঝড় সামলে তিনি টিকে থাকবেন। নাকি ব্রিটেনের ইতিহাসে আরও একজন মেয়াদহীন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তার নাম লেখাবেন। তার উত্তর আগামী কয়েক দিনেই মিলবে বলে মত বিশ্লেষকদের।

 

 

আয়শা/ ১৭ মে ২০২৬,/বিকাল ৪:৪০

▎সর্বশেষ

ad