ঘুম ভাঙতেই শুকিয়ে যাচ্ছে মুখ

Ayesha Siddika | আপডেট: ৩০ আগস্ট ২০২৬ - ১১:৫৩:২৩ পিএম

লাইফ ষ্টাইল ডেস্ক : ঘুম ভাঙতেই শুকিয়ে যাচ্ছে মুখ। প্রতিদিন একই সমস্যা হলে তা অবহেলা করা ঠিক নয়। কারণ দীর্ঘদিন মুখ শুকিয়ে থাকলে শুধু অস্বস্তিই নয়, দাঁত ও মাড়ির স্বাস্থ্যের উপরও প্রভাব পড়তে পারে।

শরীরে পানির ঘাটতি, কিছু ওষুধ এবং লালা উৎপাদন কমে গেলেও এমন হতে পারে। ডায়াবেটিস বা কিছু অটোইমিউন রোগের সঙ্গেও মুখের শুষ্কতার সম্পর্ক থাকতে পারে। তাই সমস্যার আসল কারণ খুঁজে বের করাটা জরুরি।

ঘরের বাতাস খুব শুষ্ক হলে রাতে হিউমিডিফায়ার কিছুটা স্বস্তি দিতে পারে। এটি বাতাসে আর্দ্রতা বাড়ায়, ফলে মুখ ও গলার শুষ্কতা কম অনুভূত হতে পারে। বিশেষ করে শীতকালে বা দীর্ঘক্ষণ এসি চলা ঘরে এটি উপকারী হতে পারে। তবে সব ধরনের ড্রাই মাউথের সমাধান কিন্তু হিউমিডিফায়ার নয়।

ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া, মুখ দিয়ে শ্বাস নেওয়া, নাক ডাকা বা কোনও শারীরিক সমস্যার কারণে মুখগহ্বর শুষ্ক হলে হিউমিডিফায়ার মূল সমস্যার সমাধান করবে না।

হিউমিডিফায়ার ব্যবহার করলে ঘরের আর্দ্রতা সাধারণত ৪০ থেকে ৬০ শতাংশের মধ্যে রাখা ভালো। তবে অতিরিক্ত আর্দ্রতাও সমস্যা তৈরি করতে পারে। ঘরে বেশি আর্দ্রতা থাকলে ছত্রাক জন্মানোর পরিবেশ তৈরি হয়। তাই যন্ত্রটি নিয়মিত পরিষ্কার রাখা এবং প্রয়োজনের বেশি আর্দ্রতা না বাড়ানো গুরুত্বপূর্ণ।

দীর্ঘদিন মুখ শুকিয়ে থাকলে সেই সুরক্ষা কমে যায়। ফলে ক্যাভিটি, মাড়ির সমস্যা, মুখে দুর্গন্ধ ও সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়তে পারে। খাবার চিবানো, কথা বলা বা খাবার গিলতেও অস্বস্তি হতে পারে। 

মুখগহ্বরের শুষ্কতা কয়েক সপ্তাহ ধরে চললে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। মুখে ঘা, খাবার গিলতে অসুবিধা বা অস্বাভাবিক তেষ্টার মতো উপসর্গ থাকলেও সতর্ক হতে হবে। 

প্রতিদিন সকালে একই সমস্যা হলে শুধু যন্ত্রের উপর নির্ভর করলেই চলবে না। পর্যাপ্ত পানি পান, সমস্যার প্রকৃত কারণ চিহ্নিত করা এবং প্রয়োজন হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। 

 

 

আয়শা/৩০ অগাস্ট ২০২৬,/রাত ১১:৫০

▎সর্বশেষ

ad