আন্তর্জাতিক ডেস্ক : বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দেশ এবং ষষ্ঠ বৃহত্তম অর্থনীতি হওয়ায় ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক গড়তে চায় ইউরোপের অনেক দেশই। তারই ধারাবাহিকতায় মোদির ইউরোপ সফরে নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে বাণিজ্য ও প্রতিরক্ষা খাতসহ মোট ১৭টি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি সই হয়। তবে বাণিজ্যিক এই সাফল্য ছাপিয়ে সফরের শুরু থেকেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসে ভারতের সংখ্যালঘু নিরাপত্তা ও সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার মতো সংবেদনশীল বিষয়গুলো।
নেদারল্যান্ডসের স্থানীয় গণমাধ্যমে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচন-পরবর্তী মুসলিম সংখ্যালঘু নির্যাতন ও ভাঙচুরের চিত্র গুরুত্বের সঙ্গে প্রচার করা হয়। এমনকি বৈঠকের আগেই ডাচ প্রধানমন্ত্রী রব জেটেন ভারতের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। পরবর্তীতে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে জানায়, সমালোচকরা ভারত সম্পর্কে যথেষ্ট ধারণা রাখে না। নরওয়ে সফরে ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদি নিজেই সাংবাদিকদের কোনো প্রশ্ন করার সুযোগ দেননি। তবে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আলাদা সংবাদ সম্মেলনে ভারতের ৫ হাজার বছরের ইতিহাস এবং করোনাকালের মানবিক সাহায্যের কথা উল্লেখ করে সমালোচকদের ‘অজ্ঞ ও এনজিও দ্বারা প্রভাবিত’ বলে আখ্যা দেয়।
আয়শা/২১ মে ২০২৬,/দুপুর ২:১২
