তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক : নতুন হার্ডড্রাইভ, এসএসডি কিংবা স্মার্টফোন কেনার পর অনেকেই দেখেন, বিজ্ঞাপনে উল্লেখ করা স্টোরেজের তুলনায় ব্যবহারযোগ্য জায়গা কম। যেমন, ৫১২ গিগাবাইটের একটি ড্রাইভ উইন্ডোজ কম্পিউটারে প্রায় ৪৭৭ গিগাবাইট জায়গা দেখাতে পারে। এতে অনেকের মনে প্রশ্ন জাগে, বাকি স্টোরেজ কোথায় গেল, নাকি কেনার সময় প্রতারণার শিকার হয়েছেন? তবে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে এর পেছনে রয়েছে স্টোরেজ গণনার পদ্ধতিগত পার্থক্য এবং অপারেটিং সিস্টেমসহ বিভিন্ন সিস্টেম ফাইলের জায়গা দখল।
এ ছাড়া ডিভাইসে আগে থেকেই ইনস্টল করা অপারেটিং সিস্টেম এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় ফাইলও স্টোরেজের একটি অংশ ব্যবহার করে। নতুন স্মার্টফোন, ট্যাবলেট বা কম্পিউটার চালু ও পরিচালনার জন্য এসব ফাইল অপরিহার্য। ফলে ডিভাইসের মোট ধারণক্ষমতার পুরোটা ব্যক্তিগত ছবি, ভিডিও, অ্যাপ বা অন্যান্য ফাইল সংরক্ষণের জন্য পাওয়া যায় না।
উদাহরণ হিসেবে, ১২৮ গিগাবাইট স্টোরেজের আইফোন ১৬ প্রোতে অপারেটিং সিস্টেম ও সংশ্লিষ্ট ফাইল উল্লেখযোগ্য পরিমাণ জায়গা নিতে পারে। একইভাবে, কিছু গেমিং ল্যাপটপে উইন্ডোজ ১১ এবং সংশ্লিষ্ট সিস্টেম ফাইলের জন্যও অনেকটা স্টোরেজ প্রয়োজন হয়। তবে প্রকৃত ব্যবহৃত জায়গার পরিমাণ ডিভাইসের মডেল, সফটওয়্যার সংস্করণ ও ইনস্টল করা অ্যাপের ওপর নির্ভর করে।
তাই নতুন হার্ডড্রাইভ, এসএসডি বা স্মার্টফোন কেনার সময় শুধু বিজ্ঞাপনে উল্লেখ করা স্টোরেজের পরিমাণ দেখলেই হবে না। হিসাবের এককের পার্থক্য এবং অপারেটিং সিস্টেম ও অন্যান্য ফাইলের জন্য প্রয়োজনীয় জায়গা বিবেচনায় রেখে ব্যবহারযোগ্য ধারণক্ষমতা সম্পর্কে ধারণা নেওয়া জরুরি। এতে স্টোরেজ কম দেখানোর কারণ বোঝা সহজ হবে এবং নিজের প্রয়োজন অনুযায়ী ডিভাইস নির্বাচন করা যাবে।
আয়শা/২১ অক্টোবর ২০২৬,/বিকাল ৫:২৮
