বিগত সময়ের অবহেলায় অনেক স্কুলের অবকাঠামো বেহাল : জুবাইদা রহমান

superadmin | আপডেট: ১৪ জুন ২০২৬ - ০৯:৫৫:০৬ পিএম

ডেস্কনিউজঃ জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সহধর্মিণী জুবাইদা রহমান বলেছেন, বিগত বছরগুলোতে অবহেলায় অনেক স্কুলের অবকাঠামো বেহাল, বহু স্কুলের বিধ্বস্ত অবস্থা। কিন্তু শিক্ষার্থীরা শিক্ষা নেওয়া থামায়নি।

শিক্ষক-শিক্ষিকাবৃন্দ কষ্টের মাঝেও দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। তারা আরো আত্মবিশ্বাসী ও মনোযোগী হয়েছেন।
আজ রবিবার বিকেলে রাজধানীর বিএএফ শাহীন কলেজে ঢাকা জেলা প্রশাসনের আয়োজনে ‌‘স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রোজেক্ট অ্যান্ড ইনোভেশন শোকেসিং’ অনুষ্ঠানের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। প্রদর্শনীতে শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সায়েন্স প্রজেক্ট ঘুরে দেখেন তিনি।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, আমার আজ মনে পড়ছে, পিরোজপুরের ইন্দুরকানী ৫৪ নং সাউথ বিদ্যালয়ের জীর্ণ সাদা দেয়ালে লাল রঙে লেখা জীবনের এক অতি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। যেটি আমাদের সবাইকে চিহ্নিত করবে, চিন্তিত করবে। হয়তো জীবন সম্পর্কে আরো ভাবতে শেখাবে। দেয়ালে লেখা আছে ‘মানুষ কখনো ব্যর্থ হয় না, হয় সে জিতবে না হলে সে শিখবে’।

জীর্ণ দেয়ালের লিখন কিন্তু তাৎপর্যপূর্ণ। এ রকম দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে বিভিন্ন জরাজীর্ণ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে লেখা আছে জীবনের অনেক গুরুত্বপূর্ণ বাণী।

তিনি আরো বলেন, কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী আইকুমারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাথার ওপরের ছাদ কখনো কখনো ভেঙে পড়ে। এ রকম বিধ্বস্ত অবকাঠামোতে লেখাপড়া চালিয়ে যাচ্ছে মেধাবী শিক্ষার্থীরা। তাদের চেষ্টা সফল হবেই।

হোক সে বৃষ্টির পানিতে ডুবে যাওয়া ঝালকাঠি জেলার রাজাপুর উপজেলার সাতুরিয়া ইউনিয়নের মিয়াবাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। সব কয়টি দেয়ালের প্লাস্টার উঠে যাওয়া চুয়াডাঙ্গা জেলা আলমডাঙ্গা উপজেলার ৪৭ নং গড়চাপড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।

এ সময় তিনি বেহাল অবস্থায় থাকা কয়েকটি স্কুলের নাম উল্লেখ করে বলেন, শিক্ষার্থীরা শিক্ষা নেওয়া থামায়নি। শিক্ষক শিক্ষিকাবৃন্দ কষ্টের মাঝেও দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হয়ে আরো আত্মবিশ্বাসী আরো মনোযোগী। হয়তো তাদের মধ্যেই কেউ হবে বাংলাদেশের নাম বিশ্বের বুকে উজ্জ্বল করা ভবিষ্যৎ বিজ্ঞানী। ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে শিক্ষার অধিকার রাখে, শিক্ষার সুযোগকে অনগ্রসর এলাকার জনসাধারণের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গেলে প্রতিভা অন্বেষণ ও উপযুক্ত সুযোগ করে দেয়ার মাধ্যমে সুপ্ত প্রতিভা বিকাশের পথ করা যাবে, ইনশাআল্লাহ।

এর আগে শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন বিজ্ঞান উদ্ভাবনী পরিদর্শন করেন ডা. জুবাইদা রহমান, শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা ও গবেষণা বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিনসহ অন্যরা।

বিপুল/১৪.০৬.২০২৬/রাত ৯.৫০

▎সর্বশেষ

ad