ব্রেকিং নিউজ
ইরানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী নাসিরজাদেহ ও গার্ড কমান্ডার পাকপুর নিহতের দাবি আমাদের কাজগুলো যেন মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তনের জন্য হয়: প্রধানমন্ত্রী মক্কা-মদিনায় আটকা পড়েছেন হাজারো বাংলাদেশি ইরানে হামলার জেরে উত্তপ্ত মধ্যপ্রাচ্য, বদলে যেতে পারে বিশ্ব অর্থনীতি ইরানের বালিকা বিদ্যালয়ে ইসরায়েলি হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৫৩ পুলিশের শীর্ষ পদে আলোচনাঃ আইজিপি পদে আলী হোসেন ফকির আলোচনার শীর্ষে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের অগ্রযাত্রায় পাশে থাকবে ভারত: হাইকমিশনার ইউনূস সেন্টারে ফিরলেন ড. ইউনূস বৃহস্পতিবার বইমেলা উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী, দেবেন একুশে পদক ১৪ লাখ বাংলাদেশির ভিসা ইস্যু করা হয়েছে : সৌদি রাষ্ট্রদূত

বৈধ ভিসায় গ্রিস গিয়ে অবৈধ হচ্ছেন বাংলাদেশিরা!

Anima Rakhi | আপডেট: ১১ মার্চ ২০২৬ - ১০:১২:১৯ এএম

ডেস্ক নিউজ : বৈধ ওয়ার্ক পারমিট ভিসায় গ্রিসে গিয়েও নির্ধারিত কাজ না পেয়ে অনিশ্চয়তায় পড়েছেন শতাধিক বাংলাদেশি। প্রতিশ্রুত নিয়োগকর্তা না থাকায় এবং ভিসার নির্ধারিত সময় পার হয়ে যাওয়ায় অনেকেই ইতোমধ্যে অবৈধ হয়ে পড়ছেন। অসাধু মালিক ও দালালদের প্রতারণায় বিপাকে পড়ে দূতাবাসের দ্বারস্থ হয়েছেন এসব বাংলাদেশি।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, বাংলাদেশের দালালরা গ্রিসে নির্দিষ্ট কোম্পানিতে ভালো বেতনে কাজের প্রলোভন দেখিয়ে ভিসার ব্যবস্থা করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে জনপ্রতি ১০ থেকে ১৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেন। কিন্তু গ্রিসে পৌঁছানোর পর দেখা যায়, প্রতিশ্রুত নিয়োগকর্তার কোনো অস্তিত্ব নেই। জানা গেছে, দালালরা গ্রিসের বিভিন্ন গ্রামের কৃষিজমির মালিকদের কাছ থেকে ৫০০ থেকে ১০০০ ইউরোর বিনিময়ে শুধু কাগুজে ওয়ার্ক পারমিট সংগ্রহ করেন। পরে ওই পারমিট ব্যবহার করে দিল্লি গ্রিসের দূতাবাসে ভিসার জন্য আবেদন করা হয়। কিন্তু ভিসা অনুমোদনের পর গ্রিসে পৌঁছালে চাকরির কোনো অস্তিত্ব খুঁজে পান না প্রবাসীরা। ফলে নির্ধারিত সময়ের পর অনেকেই হয়ে যান অবৈধ। চুক্তিভিত্তিক এই ভিসায় এক বছর পরপর নবায়ন করে পাঁচ বছর পর্যন্ত থাকা যায়, যদি একই নিয়োগকর্তা থাকে। অন্যদিকে দিল্লিতেও রয়েছে সক্রিয় দালাল সিন্ডিকেট, তাদের সঙ্গে ঠিকমতো চুক্তি না করলে ভিসা হয় না বলেও অভিযোগ রয়েছে।

ভুক্তভোগীদের একজন নারায়ণগঞ্জের আসিফ মিয়া বলেন, দালালের মাধ্যমে প্রায় ১৩ লাখ টাকা দিয়ে গ্রিসে আসি। বলা হয়েছিল একটি কৃষি খামারে কাজ পাব। কিন্তু এখানে এসে দেখি ওই মালিকের কোনো খোঁজই নেই। এখন কাজও নেই, কাগজও নেই।

প্রতারণার শিকার ইব্রাহিম হোসেন জানান, বাংলাদেশে থাকা অবস্থায় বলা হয়েছিল মাসে অন্তত ১২০০ ইউরো বেতন পাব। কিন্তু এখানে এসে দেখি যে কোম্পানির নামে ভিসা হয়েছে, সেই কোম্পানির কোনো অফিসই নেই।

নাসিম হোসেন বলেন, গ্রিসে এসেছি ১১ মাস হয়ে গেছে, দালালদের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারা ফোন ধরছে না। যে মালিকের ভিসায় এসেছি ওই মালিক আমাদের পারমিট নবায়ন না করলে ভিসা বাতিল, এক মাস পর অবৈধ হয়ে যাব। এখন কী করব বুঝতে পারছি না।

এ বিষয়ে এথেন্সে বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রথম সচিব (শ্রম) মার্জিয়া সুলতানা বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, বৈধ ওয়ার্ক পারমিট ভিসায় গ্রিসে এসে যারা প্রতিশ্রুত নিয়োগকর্তাকে পাচ্ছেন না, ইতোমধ্যে তারা কয়েকজন দূতাবাসে যোগাযোগ করেছেন। বিষয়টি আমলে নিয়ে রাষ্ট্রদূত সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।

অনিমা/১১ মার্চ ২০২৬,/সকাল ১০:১১

▎সর্বশেষ

ad