ব্রেকিং নিউজ
দর্শনই মানুষকে অন্য প্রাণী থেকে আলাদা করে হত্যা মামলা থেকে বাঁচতে দেশ ছাড়তে মরিয়া আলোচিত এসপি হুমায়ুন ধর্মের নামে বিভাজনের রাজনীতির সুযোগ নেই : মির্জা ফখরুল গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে হত্যা চেষ্টা মামলা চালকের প্রার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি: ইসি আনোয়ারুল আটকের সময় রাহুল গান্ধীকে পুলিশ সদস্যের বার্তা—‘মোদিকে হটাও’ পোশাক শিল্পের বিকাশে যা প্রয়োজন, সরকার তাই করবে : প্রধানমন্ত্রী যেকোনো সময় ইসরায়েলে হামলা, হিজবুল্লাহকে প্রস্তুত থাকতে বললো ইরান যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন অ্যান্ডি বার্নহ্যাম সরকারের প্রধান লক্ষ্য মানুষের কল্যাণ নিশ্চিত করা : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

হামাস সদস্যদের খুঁজে খুঁজে বের করা হবে: ট্রাম্প

Ayesha Siddika | আপডেট: ২৬ জুলাই ২০২৫ - ১১:৩০:৪৬ পিএম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস ইসরাইলের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি চুক্তি চাইছে না বলে মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার ধারণা, সব জিম্মিকে মুক্তি দেওয়ার পর ইসরাইল কী করবে তা নিয়ে আতঙ্কে আছে হামাস।

ট্রাম্প শুক্রবার হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। এদিন তিনি ইঙ্গিত দেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল এখনই যুদ্ধ পুরোপুরি থামাতে চাইছে না। তারা শুধু অল্প সময়ের জন্য যুদ্ধ বন্ধ করতে চাইছে; যেন ইসরাইলি জিম্মিদের গাজা থেকে মুক্ত করা যায়।

ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন, আমরা চূড়ান্ত ধাপে জিম্মি মুক্তির অপেক্ষায় আছি। আর তারা (হামাস) জানে, সবশেষ বন্দিদের ছাড়া হলে এরপর কী হতে পারে। মূলত সে কারণেই তারা আসলে চুক্তি করতে চায়নি।

যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনা ভেস্তে যাওয়ার জন্য হামাসকেই দায়ী করেছেন ট্রাম্প। বলেছেন, হামাসকে এখন খুঁজে খুঁজে বের করা হবে। ট্রাম্প আরও বলেন, হামাস সত্যিকার অর্থে কোনো চুক্তি করতে চায়নি। আমি মনে করি, তারা মরতে চায়। আর এটা খুব, খুব খারাপ।

গত বৃহস্পতিবার ট্রাম্পের মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক দূত স্টিভ উইটকফ বলেন, আলোচনায় নিজেদের সম্পৃক্ততা কমিয়ে ফেলেছে ওয়াশিংটন। তাদের অভিযোগ, যুদ্ধবিরতির বিষয়ে হামাস খুব একটা আগ্রহী নয়।

ইসরাইলও বলেছে, তারাও কাতার থেকে তাদের আলোচক দল ফিরিয়ে নিয়েছে। কাতারে এ যুদ্ধবিরতির আলোচনা চলছিল। যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানের বিষয়ে হামাস বিস্ময় প্রকাশ করেছে। সংগঠনটি বলেছে, তারা সত্যিই চাইছিল যেন মধ্যস্থতাকারীদের চেষ্টায় চুক্তি হয়। হামাস আরও বলেছে, মধ্যস্থতাকারী দেশ কাতার ও মিশর তাদের ‘গঠনমূলক ও ইতিবাচক’ অবস্থানকে স্বাগত জানিয়েছে।

গাজায় ৬০ দিনের জন্য যুদ্ধ বন্ধ রাখতে গত কয়েক মাস ধরেই আলোচনা চলছে। এ যুদ্ধবিরতির আওতায় ১০ জন ইসরাইলি জিম্মিকে মুক্তি দেওয়ার বিনিময়ে গাজায় ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরাইলি হামলা বন্ধ রাখার কথা বলা হয়। তবে হামাসের দাবি, তারা একটা স্থায়ী যুদ্ধবিরতি চায়।

স্টিভ উইটকফ এর আগে বলেছিলেন, এ যুদ্ধবিরতি গাজায় স্থায়ী শান্তির পথ খুলে দেবে। তবে ইসরাইলের কর্মকর্তারা বারবার বলেছেন, জিম্মিরা মুক্তি পাওয়ার পর তাঁরা আবার যুদ্ধ শুরু করবেন এবং গাজা থেকে সব ফিলিস্তিনিকে সরিয়ে দেবেন।

এমনকি ইসরাইলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরাইল কাৎজ বলেছেন, যুদ্ধবিরতির সময় তারা হাজার হাজার ফিলিস্তিনিকে গাজার দক্ষিণাঞ্চলের একটি আটকশিবিরে সরিয়ে নেবেন; যেন পরে পুরো গাজা থেকে তাদের সরিয়ে ফেলা যায়।

চলতি মাসের শুরুতে ওয়াশিংটনে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, যুদ্ধবিরতির আলোচনা হলেও গাজায় তাদের কাজ এখনো শেষ হয়নি।

 

 

আয়শা/২৬ জুলাই ২০২৫,/রাত ১১:২৮

▎সর্বশেষ

ad