আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শুরু করার আগেই ট্রাম্প প্রশাসনকে বড় ধরনের সতর্কবার্তা দিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা ও সামরিক কর্মকর্তারা। ‘ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল’-এর সূত্রে জানা গেছে, ২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি হামলা শুরু করার কয়েক দিন আগে ওভাল অফিসে এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে তৎকালীন জাতীয় গোয়েন্দা পরিচালক তুলসী গ্যাবার্ড প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে সরাসরি জানান, ইরানের ওপর বড় হামলা মারাত্মক বিপদ ডেকে আনতে পারে।
গ্যাবার্ডের দেওয়া গোয়েন্দা তথ্যে বলা হয়েছিল, হামলা চালিয়ে ইরানের সর্বোচ্চ নেতাকে হত্যা করা হলে দেশটিতে আরও উগ্র ও কট্টরপন্থী দল ক্ষমতায় চলে আসতে পারে। এর ফলে তারা পারমাণবিক অস্ত্র তৈরিতে আরও বেশি মরিয়া হয়ে উঠবে। এছাড়া বিশ্বজুড়ে তেলের সরবরাহ আটকে দিতে ইরান দ্রুত হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দিতে পারে এবং মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মার্কিন ঘাঁটিতে পাল্টা হামলা চালাতে পারে বলেও সতর্ক করা হয়েছিল।
সামরিক বাহিনীর প্রধানরাও সতর্ক করে বলেন, এই যুদ্ধে মার্কিন সেনাদের প্রাণহানি ঘটতে পারে এবং মার্কিন সমরাস্ত্রের মজুদ খালি হয়ে যেতে পারে। তবে ডোনাল্ড ট্রাম্প এসব অমঙ্গলজনক পূর্বাভাসকে গুরুত্ব না দিয়ে যুদ্ধের নির্দেশ দেন। বর্তমানে যুদ্ধ শুরুর প্রায় ছয় মাস পর দেখা যাচ্ছে, গোয়েন্দাদের সেই সব আশঙ্কাই সত্যি হয়েছে—হরমুজ প্রণালিতে নৌ চলাচল বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, বিশ্বজুড়ে জ্বালানির দামে চরম অস্থিরতা তৈরি হয়েছে এবং আমেরিকান বাহিনী একাধিক জটিল সংকটের মুখে পড়েছে।
সূত্র: আল-আরাবিয়া।
আয়শা/২৫ অগাস্ট ২০২৬,/সন্ধ্যা ৭:২২
