আন্তর্জাতিক ডেস্ক : জন্মহার ক্রমশ কমতে থাকায় রাজ্য সরকার এই পদক্ষেপকে ভবিষ্যতের সামাজিক ভারসাম্য রক্ষার উদ্যোগ বলে মনে করা হচ্ছে। স্থানীয় সময় শনিবার (১৬ মে) শ্রীকাকুলাম জেলার নরসন্নপেটায় এক অনুষ্ঠানে নাইডু বলেন, ‘আমি এ বিষয়ে অনেকবার ভেবেছি। অতীতে আমি পরিবার পরিকল্পনার জন্য কাজ করেছি।
কিন্তু আজ আমরা দেখলাম শিশুরা আমাদের সম্পদ এবং তাদের জন্য আমাদের সবার কাজ করা প্রয়োজন।’তেলেগু দেশম পার্টির প্রধান আরও বলেন, ‘সেই কারণেই আমি একটি সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তৃতীয় সন্তানের ক্ষেত্রে পরিবারগুলোকে জন্মের সাথে সাথেই আমরা ৩০ হাজার রুপি দেব। আর চতুর্থ সন্তানের ক্ষেত্রে আমরা ৪০ রুপি দেব।’
চন্দ্রবাবু নাইডু বেশ কিছুদিন ধরেই জন্মহার কমে যাওয়া নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছেন। তিনি সতর্ক করেছেন যে দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানের মতো দেশগুলোর করা ভুলের পুনরাবৃত্তি ভারতের করা উচিত নয়। তিনি বলেন, বর্তমানে অন্ধ্রপ্রদেশের মোট প্রজনন হার বা টোটাল ফার্টিলিটি রেট কমে ১.৫-এ নেমে এসেছে, যা জনসংখ্যাগত ভারসাম্য বজায় রাখার আদর্শ হার ২.১ এর চেয়ে বেশ কম। তিনি সতর্ক করে বলেন, এখনই যদি এই ধারা পরিবর্তন করা না যায়, তবে ২০৪৭ সালের মধ্যে রাজ্যের প্রায় ২৩ শতাংশ মানুষ প্রবীণ হয়ে পড়বেন।
অতীতে অন্ধ্রপ্রদেশে দুইয়ের অধিক সন্তান থাকলে স্থানীয় নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ক্ষেত্রে যে নিষেধাজ্ঞা ছিল, তা এরইমধ্যে তুলে নিয়েছে বর্তমান সরকার। চন্দ্রবাবু নাইডু আগের অবস্থান পুরোপুরি বদলে দিয়ে জানান, এক সময় তিনি নিজে ‘একটি সন্তানই আদর্শ’ এমন প্রচার চালালেও এখন সময়ের প্রয়োজনে বড় পরিবারের ওপর জোর দিচ্ছেন।
আয়শা/ ১৭ মে ২০২৬,/বিকাল ৫:৫০
