ব্রেকিং নিউজ
সমঝোতার পর হরমুজ প্রণালি পাড়ি দিল ইরানের ১১ বাণিজ্যিক জাহাজ সেনাবাহিনী দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বিশ্বপরিসরেও অবদান রাখছে : সেনাপ্রধান নিরাপত্তার ঘেরাটোপ যেন সরকার প্রধানকে জনগণ থেকে দূরে ঠেলে না দেয় : প্রধানমন্ত্রী রিজার্ভ চুরির মামলার খসড়া চার্জশিট: আতিউরসহ অভিযুক্ত ৬৪ জন সংসদের অধিবেশন শুরু শরীরে নেই পোশাক, ব্রাজিলীয় সুন্দরীর কান্ড কানাডায় মুখোমুখি ঘানা ও পানামা বিশ্ব সংবাদ ইরান চুক্তিতে বিশ্ববাজারে উচ্ছ্বাস: ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি বাংলাদেশের অবস্থান শক্তিশালী করতে ভূমিকা রাখবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ‘সুগন্ধি আসছে’ সন্দেহে মৃত্যুর ১৮ দিন পর তরুণীর কবর খুঁড়লেন স্বজনরা

কলকাতায় এসে কাকে মিস করছেন মিমি?

Ayesha Siddika | আপডেট: ০১ ডিসেম্বর ২০২৪ - ০৭:৫৯:২৬ পিএম

বিনোদন ডেস্ক : কলকাতায় এসে অভিনেত্রী যা পেয়েছেন তার জন্য তিনি কৃতজ্ঞ। তবে জলপাইগুড়িকে বরাবরই মিস করেন। ঠিক যেমন এই শহরে চলে আসার পর পরিবারকে মিস করতেন বলেও জানান টালিউড অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী। সম্প্রতি এক গণমাধ্যম সাক্ষাৎকারে ছোটবেলার স্মৃতি নিয়ে কথা বলেন তিনি।

এ অভিনেত্রী বলেন, এখন জলপাইগুড়িতে আর কেউ থাকে না। কেউ বিবাহিত, কেউ বিদেশে থাকেন, আবার কেউ কর্মসূত্রে বাইরে থাকেন। ছোটবেলায় পূজার সময়ে সবাই একসঙ্গে হতাম। শনিবার–রবিবার বাবা–মায়ের সঙ্গে মামাদের সঙ্গে বেড়াতে যেতাম। দাদুর বাড়িতে যেতাম।

তিনি বলেন, জলপাইগুড়ির স্মৃতি মানেই ছোটবেলার স্মৃতি, পারিবারিক স্মৃতি। ছোটবেলার স্মৃতিগুলো মনে পড়ত বারবার। আমরা দুপুরবেলা কখনো কখনো সাইকেল নিয়ে বেরিয়ে পড়তাম। সব পারিবারিক স্মৃতিগুলোই মনের মধ্যে জড়ো হতো এই শহরে চলে আসার পর। কলকাতায় যা অ্যাচিভ করেছি, পেয়েছি, তার জন্য আমি গ্রেটফুল। তবে মনের মধ্যে আমার জেলা রয়ে গেছে।

ছোটবেলায় স্কুলের বাইরে থেকে কোন খাবারটা সব থেকে বেশি কিনে খেতে এমন প্রশ্নের উত্তরে মিমি বলেন, ‘আমাদের স্কুলে বাইরের খাবার খাওয়া নিষেধ ছিল। দেখতে পেলে ফাইন করা হতো। তবে সবাই যেমন চাট, ফুচকা খায়, আমরা বন্ধুরাও খেয়েছি। 

অভিনেত্রী বলেন, তখন অলিগলিতে মোমো পাওয়া যেত। এখন তো আরও বেড়েছে নিশ্চয়ই। আর একটা জিনিস শুধু শীতেই পাওয়া যেত— ভাপা পিঠে। এই ভাপা পিঠে দেখতে একেবারে ইডলির মতো মনে হয়। চাল দিয়েই তৈরি হয়। এই খাবারে নিজস্ব কোনো টেস্ট নেই। মধু বা গুড় দিয়ে খেতে হয়। আমরা যেমন ছোটবেলায় চা দিয়ে খেতাম।

তিনি বলেন, এখন এই ট্র্যাডিশনটা আছে কিনা জানি না। আমি বীরপাড়ার স্কুলে পড়তে যেতাম। জলপাইগুড়ি থেকে দুই ঘণ্টার রাস্তা ছিল। মা এই ভাপা পিঠে তৈরি করে টিফিন বক্সে দিয়ে দিতেন। বাসে করে স্কুলে যাওয়ার সময়ে বন্ধুরা খেতাম। যেমন ফিলিং এই পিঠে, তেমনই হেলদি। এই পিঠের কথা এখনো মনে আছে।

 

 

কিউটিভি/আয়শা/০১ ডিসেম্বর ২০২৪,/সন্ধ্যা ৭:৫৮

▎সর্বশেষ

ad