ব্রেকিং নিউজ
সমঝোতার পর হরমুজ প্রণালি পাড়ি দিল ইরানের ১১ বাণিজ্যিক জাহাজ সেনাবাহিনী দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বিশ্বপরিসরেও অবদান রাখছে : সেনাপ্রধান নিরাপত্তার ঘেরাটোপ যেন সরকার প্রধানকে জনগণ থেকে দূরে ঠেলে না দেয় : প্রধানমন্ত্রী রিজার্ভ চুরির মামলার খসড়া চার্জশিট: আতিউরসহ অভিযুক্ত ৬৪ জন সংসদের অধিবেশন শুরু শরীরে নেই পোশাক, ব্রাজিলীয় সুন্দরীর কান্ড কানাডায় মুখোমুখি ঘানা ও পানামা বিশ্ব সংবাদ ইরান চুক্তিতে বিশ্ববাজারে উচ্ছ্বাস: ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি বাংলাদেশের অবস্থান শক্তিশালী করতে ভূমিকা রাখবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ‘সুগন্ধি আসছে’ সন্দেহে মৃত্যুর ১৮ দিন পর তরুণীর কবর খুঁড়লেন স্বজনরা

ভারতের ছত্তিশগড়ে বিজেপি নেতাসহ তিনজনকে পুড়িয়ে হত্যার অভিযোগ, তদন্তে পুলিশ

Anima Rakhi | আপডেট: ১৮ জুন ২০২৬ - ০৮:০০:০৬ পিএম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ভারতের ছত্তিশগড়ের কোরিয়া জেলায় বালু উত্তোলনের বিরোধকে কেন্দ্র করে বিবাদ এবং এক চাঞ্চল্যকর ঘটনায় স্থানীয় এক বিজেপি নেতাসহ তিনজনকে পুড়িয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। পুলিশ জানিয়েছে, তাঁদের এসইউভি গাড়িটিকে কয়েকটি ট্রাকের মাঝখানে আটকে ফেলে তাতে অগ্নিসংযোগ ঘটানো হয়। তাতেই এই হতাহতের ঘটনা ঘটেছে।

মঙ্গলবার গভীর রাতে সোনহাট থানা এলাকার নৌগাইন গ্রামে এই ঘটনাটি ঘটে। দীর্ঘদিনের একটি বিরোধ নিয়ে আলোচনার সময় বিজেপি নেতা ও সাবেক জনপদ পঞ্চায়েত সভাপতি ভরত সিং (যিনি ‘লল্লা সিং’ নামেই সুপরিচিত)-এর টয়োটা ফরচুনার গাড়িটিতে অতর্কিতে হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ।

পুলিশ ও পরিবারের সদস্যদের অভিমত, হামলাকারীরা ট্রাক দিয়ে বিজেপি নেতাসহ অন্যদের বহনকারী গাড়িটিকে ঘিরে ফেলে। এতে তাদের পালানোর সব পথ বন্ধ হয়ে যায়। এক পর্যায়ে পেট্রোল ঢেলে ওই গাড়িটিতে অগ্নি সংযোগ ঘটানো হয়। নৃশংস এই হামলায় ভরত সিং-সহ গাড়িতে থাকা তিনজনই প্রাণ হারান।

ভরত সিং ছাড়াও নিহত অন্য দুজন হলেন বীরেন্দ্র সিং এবং নগেন্দ্র সিং (যিনি পেশায় শিক্ষক এবং ওই বিজেপি নেতার চাচাতো ভাই)। এছাড়া ময়াঙ্ক সিং নামে আরও একজন গুরুতর আহত হয়েছেন। বর্তমানে বিলাসপুরের অ্যাপোলো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন তিনি।

এই ঘটনায় ৯ জনের বিরুদ্ধে হত্যা ও হত্যার চেষ্টার মতো গুরুতর অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। যদিও এখনও পর্যন্ত চারজন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বাকি সন্দেহভাজনদের খোঁজে তল্লাশি অভিযান চলছে।

প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে যে, ওই অঞ্চলে বালু উত্তোলন কার্যক্রম এবং পরিবহন রুটের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধ থেকেই এই সহিংসতার সূত্রপাত। পুলিশ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পাথর বা বালু উত্তোলনের ইজারা এবং আয় ভাগাভাগি নিয়ে দুইটি পক্ষের মধ্যে একাধিক বিরোধ ছিল।

ছত্তিশগড়ের মুখ্যমন্ত্রী বিষ্ণু দেও সাই জানান, গোটা ঘটনাটি সম্পর্কে তিনি অবগত হয়েছেন। তিনি আশ্বস্ত করেছেন যে তদন্ত কার্যক্রম এগিয়ে চলবে। দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান মুখ্যমন্ত্রী।

কিউটিভি/অনিমা/১৮ জুন ২০২৬,/সন্ধ্যা ৭:৫৯

▎সর্বশেষ

ad