স্পোর্টস ডেস্ক : শ্রীলংকাকে ৩ উইকেটে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে চ্যাম্পিয়ন পাকিস্তান ক্রিকেট দল। শিরোপা জয়ে ফাইনাল ম্যাচে দুর্দান্ত ব্যাটিং করেন ওপেনার ফখর জামান (১২৭) ও দুই মিডলঅর্ডার ব্যাটসম্যান সাদ বেগ (৭৪) এবং আরাফাত মিনহাস (৬১)।
এরপর সালমান আলি আগাকে সঙ্গে নিয়ে ৪১ বলে ৫৭ রানের জুটি গড়েন ফখর জামান। একটা পর্যায়ে ৩ উইকেটে পাকিস্তানের সংগ্রহ ছিল ২২০ রান। এরপর মাত্র ১০ রানের ব্যবধানে ফখর জামান ও সালমান আলি আগা এই দুই সেট ব্যাটসম্যানের উইকেট হারিয়ে কোণঠাসা হয়ে পড়ে পাকিস্তান।
তবে আরাফাত মিনহাস আর হাসান নওয়াজ ৬৫ বলে ৯৪ রানের জুটি গড়ে দলকে জয়ের দুয়ারে নিয়ে যান। জয়ের জন্য ১৫ বলে প্রয়োজন ছিল মাত্র ২ রান। খেলার এমন অবস্থায় পরপর দুই বলে ২ উইকেট হারায় পাকিস্তান। এরপর ব্যাটিংয়ে নেমে ছক্কা হাঁকিয়ে ৯ বল আগেই ৩ উইকেটের জয় নিশ্চিত করেন শাহিন শাহ আফ্রিদি।
দলের জয়ে ৯৯ বলে ১১টি চার আর ৬টি ছক্কার সাহায্যে ১২৭ রান করেন ওপেনার ফখর জামান। ৭৫ বলে ১১টি বাউন্ডারির সাহায্যে ৭৪ রান করেন সাদ বেগ। ৩১ বলে তিন চার আর ৪টি ছক্কার সাহায্যে ৬১ রান করেন আরাফাত মিনহাস। ৪৫ বলে ৩৭ রান করে অপরাজিত থাকেন হাসান নওয়াজ।
এদিন আগে ব্যাট করতে নেমে উড়ন্ত সূচনা করে শ্রীলংকা। উদ্বোধনী জুটিতে ৮৭ রান করে ফেরেন আভিস্কা ফার্নান্দো। তিনি ৪৯ বলে তিন চার আর এক ছক্কায় ৩৮ রান করে ফেরেন। এরপর ব্যাটিংয়ে নেমে ২২ রানের জুটি গড়ে ফেরেন কুশাল মেন্ডিস।
তবে তৃতীয় উইকেটে পবন রত্নায়েককে সঙ্গে নিয়ে ১১৯ বলে ১৪৬ রানের জুটি গড়েন ওপেনার কামিন্দু মেন্ডিস। এই জুটিতেই ক্যারিয়ারের ৩৭তম ওয়ানডেতে মেইডেন সেঞ্চুরি হাঁকান তিনি। ইনিংস ওপেন করতে নেমে ৪১.১ ওভারে দলীয় ২৫৫ রানে ফেরেন কামিন্দু। সাজঘরে ফেরার আগে ১২৮ বলে ১২টি চার আর দুটি ছক্কার সাহায্যে ১৩১ রান করে ফেরেন।
এরপর আসা-যাওয়ার মিছিলে অংশ নেন লংকান ব্যাটসম্যানরা। পবন রত্নায়েকের ৬৫ বলে ৮ ছক্কায় গড়া ৭৭ রানের ইনিংসের সুবাদে ৮ উইকেটে ৩২৫ রান করে শ্রীলংকা। পাকিস্তানের হয়ে দুটি করে উইকেট নেন তিন পেসার শাহিন শাহ আফ্রিদি, হারিস রউফ ও নাসিম শাহ। অফ স্পিনার আগা সালমান নেন ২ উইকেট।
ত্রিদেশীয় সিরিজের তৃতীয় দলটি হলো- ইংল্যান্ড। তারা পাকিস্তান সফরে গিয়ে সুবিধা করতে পারেনি। ৪ ম্যাচে খেলে জয় পেয়েছে মাত্র একটিতে। দুর্ভাগ্য শ্রীলংকার বিপক্ষে ৪২৯ রান করেও হেরে যায় ইংল্যান্ড।
আয়শা/৩১ অক্টোবর ২০২৬,/রাত ৯:১৯
