ব্রেকিং নিউজ
আইজিপির বক্তব্যকে সময়োপযোগী ও সঠিক বলল পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে আইজিপি’র বক্তব্যের ভুল ব্যাখ্যা দেয়া হচ্ছে মাঝ আকাশে দুই যুদ্ধবিমানের সংঘর্ষে ফিলিপিন্সের ৪ পাইলট নিহত প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে অর্থনৈতিক সহযোগিতায় নতুন গতির আশা টোকিওর সংবিধান সংশোধন: বিশেষ কমিটির নবম বৈঠক চলছে মিথ্যাচার করে সরকারের ভাবমূর্তি নষ্টের চেষ্টা করছে জামায়াত: রিজভী গাজীপুরে পোশাক কারখানার আগুন নিয়ন্ত্রণে শান্তিপূর্ণভাবে দুর্গাপূজা সম্পন্ন হওয়ায় রংপুর রেঞ্জ ডিআইজির কৃতজ্ঞতা হুমকিতে ব্যাংক-সরকারি পোর্টালে সাইবার হামলার আশংকা, উচ্চ সতর্কতা জারি প্রধানমন্ত্রীর সফরকালে জাপানে থাকবেন না রাষ্ট্রদূত

মক্কা চুক্তিতে যোগ দিতে যাচ্ছে ইরান?

Ayesha Siddika | আপডেট: ৩১ অক্টোবর ২০২৬ - ০৯:২০:০৮ পিএম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে দীর্ঘ আট মাস ধরে চলা সংঘাত নিরসনে এবং থমকে যাওয়া যুদ্ধবিরতি পুনরুজ্জীবিত করতে মধ্যপ্রাচ্যে জোর কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়েছে। এই শান্তি প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে পাকিস্তান সেনাসভা চলমান মধ্যস্থতা উদ্যোগ নিয়ে কিছুটা আশার আলো দেখছে এবং পুরো বিষয়টি নিয়ে ‘সাবধানী আশাবাদ’ প্রকাশ করেছে।

পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ শরিফ চৌধুরী রয়টার্সকে জানান, মধ্যস্থতার এই প্রচেষ্টায় কিছু ইতিবাচক লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। সম্প্রতি পাকিস্তানের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল তেহরান সফর করার পর সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে এই প্রথমবার আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো বক্তব্য এলো।

চলমান এই আলোচনার পেছনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল অসীম মুনির। চলতি মাসেই তিনি দুবার তেহরান সফর করেছেন। তার সর্বশেষ সফরে সৌদি আরবের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ও তুরস্কের গোয়েন্দা প্রধানও সঙ্গে ছিলেন।

এই সফরের মাধ্যমেই আলোচনায় আসে বহুল আলোচিত ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’। গত ৭ আগস্ট পাকিস্তান, সৌদি আরব ও তুরস্কের মধ্যে স্বাক্ষরিত এই ঐতিহাসিক চুক্তি অনুযায়ী—তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর হামলা হলে তা বাকি দুই দেশের ওপরও হামলা বলে গণ্য হবে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে এই চুক্তির গুরুত্ব বহুগুণ বেড়ে গেছে।

তবে প্রশ্ন উঠেছে, এই জোটে কি এবার ইরানও যুক্ত হচ্ছে?

এ বিষয়ে সেনা মুখপাত্র স্পষ্ট করে কিছু না বললেও সম্ভাবনার দরজাটি খোলা রেখেছেন। ইরান এই চুক্তিতে যোগ দিতে পারে কি না—এমন প্রশ্নে তিনি জানান, যৌথ প্রতিরক্ষা ও আঞ্চলিক শান্তির লক্ষ্য যাদের রয়েছে, তাদের সবাইকে স্বাগত জানানোর সুযোগ রয়েছে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত তিন দেশের রাজনৈতিক নেতৃত্বের ওপরই নির্ভর করছে।

এদিকে, পাকিস্তান সেনাপ্রধানের এই ঘনঘন সফরকে আশাব্যঞ্জক হিসেবেই দেখা হচ্ছে। তবে পাকিস্তান সেনাসভা সতর্ক করে দিয়েছে যে, শান্তি প্রতিষ্ঠার এই পথ এত সহজ নয়। কিছু শক্তিশালী চক্রান্তকারী ও স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী এখনও পর্দার আড়ালে থেকে সমঝোতার চেষ্টা নস্যাৎ করার পাঁতারা করছে।

একদিকে কাতারি মধ্যস্থতাকারীদের তেহরান সফর, অন্যদিকে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহী ও সৌদি সামরিক বাহিনীর মধ্যকার ফের ছড়িয়ে পড়া উত্তেজনা—সব মিলিয়ে মক্কা চুক্তি ও ইরান-যুক্তরাষ্ট্র শান্তি আলোচনার চূড়ান্ত রূপ কী দাঁড়ায়, সেদিকেই নজর রাখছে বিশ্ব সম্প্রদায়।

সূত্র: আল-জাজিরা

 

 

আয়শা/৩১ অক্টোবর ২০২৬,/রাত ৯:১৯

▎সর্বশেষ

ad