ব্রেকিং নিউজ
এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে সালাহউদ্দিন আহমেদ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মির্জা ফখরুল কুড়িগ্রামে শহিদমিনার শাপলা চত্বর ভেঙে সংকুচিত করায় জনমনে ক্ষোভ দর্শনই মানুষকে অন্য প্রাণী থেকে আলাদা করে হত্যা মামলা থেকে বাঁচতে দেশ ছাড়তে মরিয়া আলোচিত এসপি হুমায়ুন ধর্মের নামে বিভাজনের রাজনীতির সুযোগ নেই : মির্জা ফখরুল গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে হত্যা চেষ্টা মামলা চালকের প্রার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি: ইসি আনোয়ারুল আটকের সময় রাহুল গান্ধীকে পুলিশ সদস্যের বার্তা—‘মোদিকে হটাও’ পোশাক শিল্পের বিকাশে যা প্রয়োজন, সরকার তাই করবে : প্রধানমন্ত্রী

মারামারি করে ১৫ ম্যাচ নিষিদ্ধ ফুটবলার আল-আমিন

Ayesha Siddika | আপডেট: ১৮ আগস্ট ২০২৬ - ০৫:১৭:১৬ পিএম

স্পোর্টস ডেস্ক : বাংলাদেশ জাতীয় দলের হয়ে দুটি ম্যাচ খেলা ফুটবলার আল-আমিনকে ১৫ আন্তর্জাতিক ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ করেছে বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা। গত জুনে মালদ্বীপে অনুষ্ঠিত চার জাতির টুর্নামেন্টে মারামারির ঘটনায় এই শাস্তি দেওয়া হয়েছে তাকে। একই ঘটনায় দুই ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা পেয়েছেন মিডফিল্ডার মিরাজুল ইসলাম।

বর্তমান সূচি অনুযায়ী বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ম্যাচের সংখ্যা বিবেচনায় আল-আমিনের এই ১৫ ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা প্রায় দুই বছর পর্যন্ত কার্যকর থাকতে পারে। ফলে এ সময়ের মধ্যে জাতীয় দল কিংবা অন্য কোনো আন্তর্জাতিক ম্যাচে তার খেলার সুযোগ থাকবে না। নিকট অতীতে এত বড় শাস্তি পাননি বাংলাদেশের অন্য কোনো ফুটবলার। সবশেষ ১৯৮৯ সালে পাকিস্তানে অনুষ্ঠিত সাফ গেমসে রেফারিকে লাঞ্ছিত করার ঘটনায় বাংলাদেশ দলের তৎকালীন অধিনায়ক ইলিয়াস হোসেনকে এক বছর নিষিদ্ধ করা হয়েছিল।

নিষিদ্ধ হওয়ার ঘটনা আল-আমিনের জন্য নতুন নয়। ২০২০-২১ মৌসুমে প্রিমিয়ার লিগে আরামবাগে খেলেছেন তিনি। আরামবাগ তখন ম্যাচ ফিক্সিংয়ের অভিযোগে নিষিদ্ধ হয়। কয়েকজন ফুটবলারের সঙ্গে আল-আমিনও এক বছর নিষিদ্ধ হয়েছিলেন।  প্রসঙ্গত, মালদ্বীপ ফুটবলের ৭৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে ‘ডায়মন্ড জুবিলি ফুটবল টুর্নামেন্টে’ আয়োজন করেছিল দেশটি। গত ৭ জুন রাতে স্বাগতিক মালদ্বীপের বিপক্ষে বাংলাদেশ অলিম্পিক দলের বাঁচা–মরার ম্যাচ ছিল সেটি। সেই ম্যাচে শুরু হয় ব্যাপক হট্টগোল। রেফারির একের পর এক বিতর্কিত সিদ্ধান্ত ঘিরে শুরু হয় উত্তেজনা, যা পরে গড়ায় হাতাহাতি ও মারামারিতে। এক পর্যায়ে লাল কার্ড দেখেন বাংলাদেশের আল-আমিন ও মিরাজুল। 

যোগ করা সময়ে ঘটনাটির সূত্রপাত হয়েছিল। বল দখলের লড়াইয়ে বাংলাদেশের পিয়াস আহমেদের সঙ্গে সংঘর্ষে মাটিতে পড়ে যান মালদ্বীপের হাসান ইনাজ। রেফারি সেকারান সেন্থিলনাথন সঙ্গে সঙ্গে মালদ্বীপের পক্ষে ফ্রি-কিকের সিদ্ধান্ত দিলে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন বাংলাদেশের খেলোয়াড়েরা। সাইড বেঞ্চ থেকে উঠে এসে প্রতিবাদ করায় প্রথমে লাল কার্ড দেখেন মিরাজুল ইসলাম। এরপর মাঠের ভেতরে রেফারির সিদ্ধান্তের তীব্র বিরোধিতা করে লাল কার্ড পান ফরোয়ার্ড আল-আমিন। ওই সময় রাগ ধরে রাখতে না পেরে রেফারিকে ধাক্কা দিয়ে বসেন তিনি। ওই ম্যাচ শেষ পর্যন্ত ১-১ গোলে ড্র হয়।

 

 

আয়শা/১৮ অগাস্ট ২০২৬,/বিকাল ৪:১৪

▎সর্বশেষ

ad