ব্রেকিং নিউজ
এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে সালাহউদ্দিন আহমেদ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মির্জা ফখরুল কুড়িগ্রামে শহিদমিনার শাপলা চত্বর ভেঙে সংকুচিত করায় জনমনে ক্ষোভ দর্শনই মানুষকে অন্য প্রাণী থেকে আলাদা করে হত্যা মামলা থেকে বাঁচতে দেশ ছাড়তে মরিয়া আলোচিত এসপি হুমায়ুন ধর্মের নামে বিভাজনের রাজনীতির সুযোগ নেই : মির্জা ফখরুল গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে হত্যা চেষ্টা মামলা চালকের প্রার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি: ইসি আনোয়ারুল আটকের সময় রাহুল গান্ধীকে পুলিশ সদস্যের বার্তা—‘মোদিকে হটাও’ পোশাক শিল্পের বিকাশে যা প্রয়োজন, সরকার তাই করবে : প্রধানমন্ত্রী

সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত ও ন্যায়বিচারের দাবি ব্লাস্টের

Ayesha Siddika | আপডেট: ১৩ আগস্ট ২০২৬ - ০৭:২৯:৪৬ পিএম

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি : সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের যথাযথ ক্ষতিপূরণ প্রদান এবং জড়িতদের জবাবদিহিতা নিশ্চিতের জন্য ফাস্ট-ট্র্যাকিং ও মামলা ব্যবস্থাপনার উদ্যোগ গ্রহণের দাবি জানিয়েছে মানবাধিকার সংগঠন “বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্রাস্ট” (ব্লাস্ট)।

আজ ১৩ আগস্ট(২০২৬) বৃহস্পতিবার প্রখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা তারেক মাসুদ, এটিএন নিউজের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আশফাক মুনীর (মিশুক মুনীর) এবং তাঁদের সহকর্মী ওয়াসিম, জামাল ও মোস্তাফিজুর রহমানের মৃত্যুর ১৫তম বার্ষিকীতে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ দাবি জানায় সংস্থাটি।তারা ২০১১ সালের ১৩ আগস্ট মানিকগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যান। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ব্লাস্ট উল্লেখ করে যে, রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের তথ্য অনুযায়ী ২০২৬ সালের জুলাই মাস পর্যন্ত সড়ক দুর্ঘটনায় ৩,৩০৭ জনেরও বেশি মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে।

নিহতদের স্মরণে এবং ভুক্তভোগীদের ক্ষতিপূরণের দাবিতে ১২ আগস্ট ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি এলাকায় অবস্থিত তারেক মাসুদ ও মিশুক মুনীর স্মৃতিস্তম্ভে এক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে নিহতদের পরিবারের সদস্য, ‘জাগরী’, ‘নিরাপদ সড়ক চাই’-এর প্রতিনিধি, আইনজীবী, মানবাধিকার কর্মী, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং ব্লাস্টের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আজ ১৩ আগস্ট নিহতদের স্মরণে মোমবাতি প্রজ্বলন করা হয়।এ সময় উপস্থিত ছিলেন ব‍্যারিস্টার সারা হোসেন, মানবাধিকার কর্মী নুর খান লিটন,মিশুক মুনীরের ভাই আসিফ মুনির প্রমুখ
ব্লাস্টের প্রধান দাবিগুলো:
১) যথার্থ ক্ষতিপূরণ পুনঃনির্ধারণ: ‘সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮’ এবং সংশ্লিষ্ট বিধিমালার আওতায় প্রদত্ত অর্থকে কেবল ‘অনুদান’ বা ‘আর্থিক সহায়তা’ হিসেবে না দেখে ক্ষতিগ্রস্তদের প্রাপ্য যথাযথ ক্ষতিপূরণ হিসেবে বিবেচনা করা এবং বাস্তবসম্মতভাবে পুনঃনির্ধারণ করা।

২) সহজ আবেদন প্রক্রিয়া: নিহত ব্যক্তির উত্তরাধিকারী বা আইনি প্রতিনিধি এবং আহত ব্যক্তিদের ক্ষতিপূরণ পাওয়ার আবেদন প্রক্রিয়াকে সহজ, দ্রুত, স্বচ্ছ ও ভুক্তভোগীবান্ধব করা। ৩) জবাবদিহিতা ও আইন বাস্তবায়ন: সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ, সড়ক নিরাপত্তা আইনের যথাযথ বাস্তবায়ন এবং ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা।

আয়শা/১৩ অগাস্ট ২০২৬,/সন্ধ্যা ৭:৩৩

▎সর্বশেষ

ad