
ডেস্ক নিউজ : সরকারি কলেজ, মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং শিক্ষা অফিসগুলোতে কেনাকাটার ক্ষেত্রে ভুয়া বিল-ভাউচার ও আর্থিক অনিয়ম ঠেকাতে কঠোর অবস্থান নিয়েছে সরকার। এখন থেকে সব ধরনের কেনাকাটা বা সরকারি ক্রয় কার্যক্রম ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম বা ই-জিপি পোর্টালে সম্পন্ন করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতরের (মাউশি) এক অফিস আদেশে এই নির্দেশনা জারি করা হয়।
অফিস আদেশে বলা হয়েছে, গত ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫ থেকে কার্যকর হওয়া ‘পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালা, ২০২৫’-এর ১৫০(১) বিধি অনুযায়ী সব সরকারি ক্রয় ই-জিপি পোর্টালের মাধ্যমে সম্পন্ন করা বাধ্যতামূলক। কোনো প্রতিষ্ঠান যদি বিশেষ কারণে এই ডিজিটাল পদ্ধতিতে ক্রয় করতে অসমর্থ হয়, তবে তাদের অবশ্যই বাংলাদেশ পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অথরিটি (বিপিপিএ)-এর পূর্বানুমোদন নিতে হবে।
মাউশি মহাপরিচালকের নির্দেশনায় জানানো হয়েছে, অধিদফতরের আওতাধীন সব প্রকল্প, আঞ্চলিক কার্যালয়, সরকারি কলেজ, সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, জেলা ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস এই আদেশের অন্তর্ভুক্ত হবে। এ ছাড়া টিটিসি, এইচএসটিটিআই এবং ন্যাশনাল একাডেমি ফর অটিজম অ্যান্ড নিউরো ডেভেলপমেন্টাল ডিজএ্যাবিলিটিজ (এনএএএনডি) একাডেমিকেও এই ডিজিটাল ক্রয় প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে।
কার্যক্রমটি দ্রুত বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ও অফিস প্রধানদের নির্ধারিত ছক অনুযায়ী ডোমেন আইডি এবং কর্মকর্তাদের ইউজার আইডি খোলার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে। শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সনাতন পদ্ধতির বিল-ভাউচারের পরিবর্তে ডিজিটাল পোর্টাল ব্যবহারে স্বচ্ছতা বাড়বে এবং টেন্ডারবাজি বা কেনাকাটায় দুর্নীতির সুযোগ অনেকাংশে কমে আসবে।
আয়শা/২৯ জানুয়ারী ২০২৬,/বিকাল ৫:৪৪






