ব্রেকিং নিউজ
দর্শনই মানুষকে অন্য প্রাণী থেকে আলাদা করে হত্যা মামলা থেকে বাঁচতে দেশ ছাড়তে মরিয়া আলোচিত এসপি হুমায়ুন ধর্মের নামে বিভাজনের রাজনীতির সুযোগ নেই : মির্জা ফখরুল গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে হত্যা চেষ্টা মামলা চালকের প্রার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি: ইসি আনোয়ারুল আটকের সময় রাহুল গান্ধীকে পুলিশ সদস্যের বার্তা—‘মোদিকে হটাও’ পোশাক শিল্পের বিকাশে যা প্রয়োজন, সরকার তাই করবে : প্রধানমন্ত্রী যেকোনো সময় ইসরায়েলে হামলা, হিজবুল্লাহকে প্রস্তুত থাকতে বললো ইরান যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন অ্যান্ডি বার্নহ্যাম সরকারের প্রধান লক্ষ্য মানুষের কল্যাণ নিশ্চিত করা : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সশস্ত্র আক্রমণ প্রতিরোধে সৌদি আরবের সঙ্গে পাকিস্তান ও তুরস্কের প্রতিরক্ষা চুক্তি

Anima Rakhi | আপডেট: ০৮ আগস্ট ২০২৬ - ১০:০১:০১ এএম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উত্তেজনা ও সংঘাতের মধ্যেই নিরাপত্তা সহযোগিতা আরও জোরদার করতে সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্ক একটি যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। শুক্রবার(৭ আগস্ট) পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

চুক্তির অধীনে এই তিনটি দেশের কোনো একটির ওপর সশস্ত্র আক্রমণ হলে তা সামগ্রিকভাবে তিন দেশের ওপরই আক্রমণ হিসেবে গণ্য করা হবে। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এবং দেশটির সেনাপ্রধান আসিম মুনির সৌদি আরবে পৌঁছে মক্কায় ওমরাহ পালন করার ঠিক পরের দিনই এই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হলো।

সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানও শুক্রবার সৌদি আরব সফরে যান। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের ওপর হামলা চালানোর পর থেকে সৌদি আরব বারবার ইরান এবং ইয়েমেনে ইরানের মিত্র হুথি ও ইরাকের শিয়া সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর হামলার শিকার হয়েছে।

প্রায় এক বছর ধরে আলোচনার পর তিন দেশের মধ্যে এই চুক্তিটি সম্পন্ন হলো। ইসলামের পবিত্রতম স্থান মক্কায় এই চুক্তি স্বাক্ষরের বিষয়টি এর প্রতীকী গুরুত্ব আরও বাড়িয়ে দিয়েছে এবং এটি তাদের দীর্ঘদিনের দ্বিপাক্ষিক সামরিক সম্পর্কের ওপর ভিত্তি করেই গড়ে উঠেছে।

পাকিস্তান কয়েক দশক ধরে সৌদি বাহিনীকে প্রশিক্ষণ ও কারিগরি সহায়তা দিয়ে আসছে; পাশাপাশি তুরস্ক ও পাকিস্তান একে অপরের সঙ্গে যুদ্ধজাহাজ ও প্রশিক্ষণ বিমান বিনিময় করেছে। ২০২৩ সালে আঙ্কারা তাদের ইতিহাসের বৃহত্তম প্রতিরক্ষা রপ্তানি চুক্তির আওতায় সৌদি আরবের কাছে তুর্কি ড্রোন বিক্রির বিষয়ে সম্মত হয়েছিল।

মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে উত্তেজনায় সৌদি আরবের তেল রপ্তানি ও উচ্চাকাঙ্ক্ষী উন্নয়ন পরিকল্পনাকে ঝুঁকির মুখে ফেলেছে এবং দীর্ঘদিনের মার্কিন নিরাপত্তা বলয়ের নির্ভরযোগ্যতা নিয়েও বড় ধরনের প্রশ্ন তুলেছে। যদিও তুরস্ক ও পাকিস্তান সরাসরি বড় কোনো হামলার শিকার হয়নি, তবুও তারা আঞ্চলিক সংঘাত প্রশমনে আগ্রহী। কারণ এই সংঘাত তাদের নিরাপত্তা ও অর্থনীতির জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সূত্র: আলজাজিরা।

কিউটিভি/অনিমা/০৮ অগাস্ট ২০২৬,/সকাল ১০:০০

▎সর্বশেষ

ad