ব্রেকিং নিউজ
দর্শনই মানুষকে অন্য প্রাণী থেকে আলাদা করে হত্যা মামলা থেকে বাঁচতে দেশ ছাড়তে মরিয়া আলোচিত এসপি হুমায়ুন ধর্মের নামে বিভাজনের রাজনীতির সুযোগ নেই : মির্জা ফখরুল গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে হত্যা চেষ্টা মামলা চালকের প্রার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি: ইসি আনোয়ারুল আটকের সময় রাহুল গান্ধীকে পুলিশ সদস্যের বার্তা—‘মোদিকে হটাও’ পোশাক শিল্পের বিকাশে যা প্রয়োজন, সরকার তাই করবে : প্রধানমন্ত্রী যেকোনো সময় ইসরায়েলে হামলা, হিজবুল্লাহকে প্রস্তুত থাকতে বললো ইরান যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন অ্যান্ডি বার্নহ্যাম সরকারের প্রধান লক্ষ্য মানুষের কল্যাণ নিশ্চিত করা : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে ২৫ অঙ্গরাজ্যে মামলা

Ayesha Siddika | আপডেট: ০৪ আগস্ট ২০২৬ - ০৫:১৫:৪৪ পিএম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : স্থানীয় সময় সোমবার (৩ আগস্ট)  যুক্তরাষ্ট্রের কোর্ট অব ইন্টারন্যাশনাল ট্রেডে দায়ের করা মামলায় গত মাসে ৬০টি বাণিজ্যিক অংশীদার দেশের ওপর আরোপিত নতুন শুল্ককে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের দাবি, এসব দেশ জোরপূর্বক শ্রমে উৎপাদিত পণ্যের আমদানি ঠেকাতে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হয়েছে।

সুপ্রিম কোর্ট গত ফেব্রুয়ারিতে ট্রাম্পের বহুল আলোচিত ‘লিবারেশন ডে’ শুল্ক বাতিল করে দেয়ার পর তিনি যে অস্থায়ী শুল্ক ব্যবস্থা চালু করেছিলেন, তার মেয়াদ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই নতুন শুল্ক কার্যকর হয়। নিউইয়র্কের অ্যাটর্নি জেনারেল লেটিশিয়া জেমস বলেন, ‘সুপ্রিম কোর্টে হেরে যাওয়ার পর প্রশাসন আবারও অবৈধভাবে নতুন শুল্ক আরোপের মাধ্যমে পরিবার ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ওপর করের বোঝা বাড়ানোর চেষ্টা করছে।’
 
ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে মামলা করা ২৫টি অঙ্গরাজ্যের মধ্যে ওরেগন ও নিউইয়র্কও রয়েছে। এসব অঙ্গরাজ্যের অ্যাটর্নি জেনারেল বা গভর্নর ডেমোক্র্যাট দলের। হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র কুশ দেশাই নতুন শুল্ককে আইনসম্মত ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ বলে দাবি করেছেন। তিনি বলেন, ‘কোনো বিদেশি দেশ যদি জোরপূর্বক শ্রমে উৎপাদিত পণ্যের আমদানি নিষিদ্ধ করতে বা সেই নিষেধাজ্ঞা কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে তা যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য ও মার্কিন শ্রমিকদের জন্য ক্ষতিকর। তাই এ ধরনের পরিস্থিতির মোকাবিলা করা জরুরি।’
 
গত ২৪ জুলাই থেকে বাংলাদেশসহ ৬০টি বাণিজ্য অংশীদারের পণ্যের ওপর নতুন শুল্ক আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্র। এই ব্যবস্থায় বিভিন্ন দেশের পণ্যের ওপর ১০ শতাংশ ও ১২.৫ শতাংশ হারে শুল্ক বসবে। গত ফেব্রুয়ারিতে মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট জাতীয় জরুরি অবস্থার আইনের আওতায় প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আরোপ করা ১০ থেকে ৫০ শতাংশ ‘পারস্পরিক’ শুল্ক বাতিল করে দেয়।
সেই রায়ের পর প্রায় সব আমদানির ওপর ন্যূনতম শুল্ক বজায় রাখার নতুন উপায় হিসেবে হোয়াইট হাউস এবার ১৯৭৪ সালের বাণিজ্য আইনের ৩০১ ধারা ব্যবহার করছে। ফেডারেল রেজিস্টারে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নতুন শুল্ক যুক্তরাষ্ট্রে আমদানি হওয়া প্রায় ৯৯.৪ শতাংশ পণ্যের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। তবে তেল ও গ্যাস, সার, নির্দিষ্ট কিছু খাদ্যপণ্য এবং কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ খাতকে এই শুল্কের বাইরে রাখা হয়েছে।

 

 

আয়শা/০৪ অগাস্ট ২০২৬,/বিকাল ৩:১৫

▎সর্বশেষ

ad