ব্রেকিং নিউজ
অনার্স পর্যন্ত মেয়েদের শিক্ষা ফ্রি করতে চান প্রধানমন্ত্রী পাঁচ ক্রুসহ পাকিস্তানের মালবাহী উড়োজাহাজ নিখোঁজ তৃণমূলের ৪৪০ কোটি টাকার ব্যাংক হিসাব জব্দ বেলুচিস্তানে নিরাপত্তা বাহিনী-সশস্ত্র গোষ্ঠীর সংঘর্ষে নিহত ৩০ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাজে সমর্থন দেশের ৭৫.৩ শতাংশ মানুষের কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধসে ৭ শিক্ষার্থীর মৃত্যু কৃষিতে স্মার্ট প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াচ্ছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী পাল্টাপাল্টি হামলার পর ট্রাম্প বললেন, যুদ্ধবিরতি শেষ সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী : আপিল বিভাগের রায় বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রীর সফরের পর খুলল মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার

ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে ফটিকছড়িতে বন্যার শঙ্কা

Ayesha Siddika | আপডেট: ০৮ জুলাই ২০২৬ - ০৮:১১:০৬ পিএম

ডেস্ক নিউজ : চট্টগ্রামে টানা তৃতীয় দিনের মতো ভারী বর্ষণ এবং উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে ফটিকছড়ি উপজেলায় বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। অব্যাহত বৃষ্টিপাতে হালদা নদীসহ উপজেলার প্রধান প্রধান খালের পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। 

পরিস্থিতি বিবেচনায় নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কায় ফটিকছড়ি ও নাজিরহাট পৌরসভাসহ উপজেলার ১৮টি ইউনিয়নে মোট ২১টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখার নির্দেশ দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।
সোমবার (৭ জুলাই) রাতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয় থেকে জারি করা এক জরুরি আদেশে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়। আদেশে উপজেলার ১৮টি ইউনিয়ন এবং দুটি পৌরসভার মোট ২১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে জরুরি আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে প্রস্তুত রাখতে বলা হয়েছে। 
একই সাথে টানা বর্ষণে ইতোমধ্যে উপজেলার বিভিন্ন নিম্নাঞ্চলে জলাবদ্ধতা তৈরি হওয়ায় যে-কোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় মানুষকে দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে নেওয়ার প্রস্তুতি রাখার কথা বলা হয়েছে।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রতিটি আশ্রয়কেন্দ্রে পর্যাপ্ত শুকনো খাবার, নিরাপদ পানীয় জল, প্রয়োজনীয় ওষুধ ও খাবার স্যালাইনসহ জরুরি চিকিৎসা সামগ্রী মজুত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে নারী, শিশু, বয়স্ক ও বিশেষভাবে সক্ষম ব্যক্তিদের সুরক্ষায় বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা বলা হয়েছে আদেশে। 
এদিকে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে শিক্ষার্থীদের সুরক্ষায় উপজেলার চলমান এইচএসসি এবং মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোর পূর্বনির্ধারিত পরীক্ষা সাময়িকভাবে স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, পাহাড়ি ঢলের তীব্র প্রভাবে হালদা নদীর পাশাপাশি ধুরুং, লেলাং, কুতুবছড়ি, বারমাসিয়া, ফটিকছড়ি, হারুয়ালছড়ি, গজারিয়া, শোভনছড়ি ও সর্তা খালের পানিও ডেডলাইন ছুঁইছুঁই করছে। বৃষ্টিপাত এভাবে চললে নদীসংলগ্ন ও নিচু এলাকাগুলোতে স্বল্পমেয়াদি তীব্র বন্যা দেখা দিতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। 
ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাঈদ মোহাম্মদ ইব্রাহীম জানিয়েছেন, উপজেলা প্রশাসন সার্বক্ষণিকভাবে মাঠের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। আগামী কয়েক ঘণ্টা যদি ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকে, তবে হালদা নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করার প্রবল ঝুঁকি রয়েছে। 
এই কারণে নদীতীরবর্তী ও পাহাড়ের পাদদেশে থাকা ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার এবং প্রশাসনের নির্দেশনা মেনে নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

 

 

আয়শা/০৮ জুলাই ২০২৬,/রাত ৮:০৮

▎সর্বশেষ

ad