ডেস্কনিউজঃ নগরীর ইপিজেড থানার নয়ারহাট এলাকার বাসিন্দা সোহেল রানার পাঁচ বছর বয়সী মেয়ে আলিনা ইসলাম আয়াত ২০২২ সালের নভেম্বর মাসের ১৫ তারিখে বাসার পাশের মক্তবে আরবি পড়তে যাওয়ার সময় নিখোঁজ হয়। পরে তদন্তে বেরিয়ে আসে, পরিবারের পরিচিত ও প্রতিবেশী মো. আবির আলী মুক্তিপণের উদ্দেশ্যে আয়াতকে অপহরণ করেছিলেন। তবে পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ব্যর্থ হয়ে তিনি শিশুটিকে শ্বাসরোধে হত্যা করেন।
চট্টগ্রামে আলোচিত শিশু আলিনা ইসলাম আয়াত অপহরণ ও হত্যা মামলায় প্রধান আসামি মো. আবিরকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তাকে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেয়া হয়েছে। রায় ঘোষণার সময় আসামি আবির আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
আজ বুধবার চট্টগ্রাম মহানগরের ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মুহাম্মদ আলী আক্কাস এই রায় ঘোষণা করেন।
মামলার তথ্য অনুযায়ী, নগরীর ইপিজেড থানার নয়ারহাট এলাকার বাসিন্দা সোহেল রানার পাঁচ বছর বয়সী মেয়ে আলিনা ইসলাম আয়াত ২০২২ সালের নভেম্বর মাসের ১৫ তারিখে বাসার পাশের মক্তবে আরবি পড়তে যাওয়ার সময় নিখোঁজ হয়।
পরে তদন্তে বেরিয়ে আসে, পরিবারের পরিচিত ও প্রতিবেশী মো. আবির আলী মুক্তিপণের উদ্দেশ্যে আয়াতকে অপহরণ করেছিলেন। তবে পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ব্যর্থ হয়ে তিনি শিশুটিকে শ্বাসরোধে হত্যা করেন।
রাষ্ট্রপক্ষের সরকারি কৌঁসুলি জালাল উদ্দিন বলেন, মামলায় ৩৩ জন সাক্ষী সাক্ষ্য দিয়েছেন। আদালত পর্যবেক্ষণে উল্লেখ করেছেন, ঘটনাটি ছিল পূর্বপরিকল্পিত, নিষ্ঠুর ও নৃশংস। স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি, সুরতহাল প্রতিবেদন, ময়নাতদন্ত রিপোর্ট, উদ্ধারকৃত আলামত এবং সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত আসামিকে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন।
নিহত শিশু আয়াতের বাবা সোহেল রানা বণিক বার্তাকে বলেন, আমার মেয়েকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে। আদালতের রায়ে আমরা ন্যায়বিচার পেয়েছি। উচ্চ আদালত যেন তার ফাঁসির রায় বহাল রাখেন এবং দ্রুত রায় কার্যকর করা হয় এটাই আমাদের দাবি।
বিপুল/১৭.০৬.২০২৬/বিকাল ৪.৪৯
