ব্রেকিং নিউজ
দর্শনই মানুষকে অন্য প্রাণী থেকে আলাদা করে হত্যা মামলা থেকে বাঁচতে দেশ ছাড়তে মরিয়া আলোচিত এসপি হুমায়ুন ধর্মের নামে বিভাজনের রাজনীতির সুযোগ নেই : মির্জা ফখরুল গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে হত্যা চেষ্টা মামলা চালকের প্রার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি: ইসি আনোয়ারুল আটকের সময় রাহুল গান্ধীকে পুলিশ সদস্যের বার্তা—‘মোদিকে হটাও’ পোশাক শিল্পের বিকাশে যা প্রয়োজন, সরকার তাই করবে : প্রধানমন্ত্রী যেকোনো সময় ইসরায়েলে হামলা, হিজবুল্লাহকে প্রস্তুত থাকতে বললো ইরান যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন অ্যান্ডি বার্নহ্যাম সরকারের প্রধান লক্ষ্য মানুষের কল্যাণ নিশ্চিত করা : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

৬ নবজাতকের মৃত্যু : আদ্-দ্বীনের জবাবে সন্তুষ্ট নয় সরকার

superadmin | আপডেট: ১০ জুন ২০২৬ - ০২:৩৬:০৮ পিএম

ডেস্কনিউজঃ রাজধানীর মগবাজারে আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পোস্ট-অপারেটিভ ওয়ার্ডে ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দেওয়া কারণ দর্শানোর জবাবে সন্তুষ্ট নয় সরকার। এ তথ্য জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন।

বুধবার (১০ জুন) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, আদ্-দ্বীন হাসপাতালে নবজাতক মৃত্যুর ঘটনায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেওয়া কারণ দর্শানোর যে জবাব দিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাতে সরকার সন্তুষ্ট নয়। সবই অস্পষ্ট তথ্য দিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

মন্ত্রী জানান, বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

গত ২৭ মে ভোরে হাসপাতালটির পোস্ট-অপারেটিভ ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন ছয় নবজাতক কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে মারা যায়। এ ঘটনায় ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর একটি উচ্চপর্যায়ের তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে।

তদন্ত প্রতিবেদনে হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা, পরিবেশগত অব্যবস্থাপনা এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসক ও নার্সদের দায়িত্ব পালনে একাধিক গাফিলতির বিষয় উঠে আসে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডটি নবজাতক ও অস্ত্রোপচার-পরবর্তী রোগীদের জন্য উপযোগী ছিল না। সেখানে পর্যাপ্ত আলো-বাতাসের ঘাটতি ছিল এবং শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাও ছিল অপর্যাপ্ত ও অনিয়মিত।

এ ছাড়া ঘটনার সময় দায়িত্বপ্রাপ্ত কোনো চিকিৎসক ওয়ার্ডে উপস্থিত ছিলেন না বলেও তদন্তে উল্লেখ করা হয়। নবজাতকদের অবস্থার অবনতি ঘটার পরও সময়মতো প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হয়নি বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

তদন্ত কমিটির পর্যবেক্ষণে আরও উঠে আসে, জন্মের পর নবজাতকদের শারীরিক অবস্থা স্বাভাবিক ছিল এবং তাদের বিশেষায়িত চিকিৎসা বা ইনকিউবেটরের প্রয়োজন ছিল না। তবে হঠাৎ শারীরিক অবস্থার অবনতি হলেও জরুরি চিকিৎসা ব্যবস্থাপনায় ঘাটতি ছিল। পাশাপাশি হাসপাতালের কাঠামোগত সীমাবদ্ধতা, পর্যাপ্ত তদারকির অভাব এবং প্রশাসনিক দুর্বলতার বিষয়ও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে গত ৪ জুন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলো) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসানের সই করা চিঠিতে এ শোকজ জারি করা হয়।

বিপুল/১০.০৬.২০২৬/দুপুর ২.৩১

▎সর্বশেষ

ad