ডেস্ক নিউজ : মাওলানা শরিফ হাসান শাহীন
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا قُوا أَنفُسَكُمْ وَأَهْلِيكُمْ نَارًا হে ঈমানদারগণ! তোমরা নিজেদের ও তোমাদের পরিবারকে জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষা করো। (সুরা তাহরিম:৬) এই আয়াত নির্দেশ করে, বাবা-মায়ের দায়িত্ব সন্তানকে এমন শিক্ষা দেওয়া, যা তাকে জাহান্নাম থেকে রক্ষা করবে। আর শ্রদ্ধা ও শিষ্টাচার সে শিক্ষার অন্যতম মূলভিত্তি।
শ্রদ্ধাবোধ ও আদব শেখানোর গুরুত্ব
مَا نَحَلَ وَالِدٌ وَلَدَهُ نِحْلَةً أَفْضَلَ مِنْ أَدَبٍ حَسَنٍ পিতা তার সন্তানকে উত্তম শিষ্টাচারের চেয়ে উত্তম কিছু দান করতে পারে না। (সুনানুত তিরমিজি:১৯৫২) এটি স্পষ্ট করে দেয়, সন্তানকে শ্রদ্ধা, ভদ্রতা, আদব ও সম্মান শেখানোই সর্বশ্রেষ্ঠ দান।
كلكم راعٍ، وكلكم مسؤول عن رعيته তোমাদের প্রত্যেকে দায়িত্বশীল, এবং প্রত্যেককেই তার অধীনদের ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করা হবে। (সহিহ বুখারি: ৮৯৩,সহিহ মুসলিম:১৮২৯) তাই সন্তানদের চরিত্র ও আদব গঠনে অবহেলা করা মানে নিজের দায়িত্ব অবহেলা করা।
শ্রদ্ধা ও শিষ্টাচার শেখানো কেন এত গুরুত্বপূর্ণ?
২. ইসলামি গল্প ও সাহাবিদের চরিত্র শেখানো যেমন, ইবনু আব্বাস রা. ছোট বয়সে রসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর খিদমতে থাকতেন, এবং তিনি দুআ পেয়েছেন اللهم فقهه في الدين
৩. সালাম দেওয়া, বড়দের নাম ধরে না ডাকা,এই সব আচরণ শেখানো এগুলো ইসলামি আদব ও সম্মানবোধের অন্যতম উপাদান। ৪. অন্যদের জন্য বসা ছেড়ে দেওয়া, খাবার ভাগ করে খাওয়া, কৃতজ্ঞতা প্রকাশ শেখানো এসব আচরণ শিশুদের হৃদয়ে শিষ্টাচার ও বিনয় তৈরি করে।
কিউটিভি/আয়শা//১৬ জুলাই ২০২৫,/রাত ১০:৩৩
