ব্রেকিং নিউজ

‘জাযাকাল্লাহ’ অর্থ ও কখন বলতে হয়?

Ayesha Siddika | আপডেট: ১১ জুলাই ২০২৪ - ০৬:৪৩:২৫ পিএম

ডেস্ক নিউজ : নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কৃতজ্ঞতা আদায়ের শিক্ষা দিয়েছেন। উপকারীর জন্য দোয়া করার নির্দেশ দিয়েছেন। নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘যে ব্যক্তি তোমাদের সঙ্গে সদ্ব্যবহার করে তোমরা তার উত্তম প্রতিদান দাও। প্রতিদান দেয়ার মতো কিছু না পেলে তার জন্য দোয়া করতে থাকো, যতক্ষণ না তোমরা অনুধাবন করতে পারো যে তোমরা তার প্রতিদান দিতে পেরেছ। (আবু দাউদ: ১৬৭২)

উপকারকারীর উপকার করার সামর্থ্য না থাকলে কমপক্ষে তার জন্য দোয়া করা। হজরত ওসামা ইবনে জায়েদ (রা.) বলেন, নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, কাউকে অনুগ্রহ করা হলে সে যদি অনুগ্রহকারীকে বলে, ‘জাযাকাল্লাহু খাইরান’ (আল্লাহ তোমাকে উত্তম প্রতিদান দিন), তাহলে সে উপযুক্ত ও পরিপূর্ণ প্রশংসা করল। (তিরমিজি: ২০৩৫
জাযাকাল্লাহ-এর আরবি, উচ্চারণ ও অর্থ:

جَزَاكَ اللَّٰهُ خَيْرًا উচ্চারণ: জাযাকাল্লাহু খাইরান। (অর্থ: আল্লাহ আপনাকে উত্তম প্রতিদান দিন।) কারও থেকে কোনো উপকার পেলে তাকে ‘জাযাকাল্লাহ’ বলা উচিত। কেউ সামান্য উপকার করলেই জাযাকাল্লাহ বলবো। জাযাকাল্লাহ-এর সঙ্গে খাইরান শব্দ যোগ করে ‘জাযাকাল্লাহু খাইরান’ বলা অধিক উত্তম।

জাযাকাল্লাহু খায়রান এর উত্তরে ওয়া-ইয়্যাক (একজনকে), বা ওয়া-ইয়্যাকুম (একের অধিককে) ব্যবহৃত হয়, যার অর্থ এবং আপনার/ আপনাদের প্রতিও)। তবে বেশি প্রচলিত জবাব হল: ওয়া-আনতুম ফা-জাযাকুমুল্লাহু খায়রান, যার অর্থ এবং আপনাকেও আল্লাহ উত্তম প্রতিদান দিন।  (আস-সহিহাহ: ৩০৯৬)

 

 

কিউটিভি/আয়শা/১১ জুলাই ২০২৪,/সন্ধ্যা ৬:৪০

▎সর্বশেষ

ad