ব্রেকিং নিউজ
ইরানের ওপর থেকে নৌ-অবরোধ তুলে নেওয়ার ঘোষণা ট্রাম্পের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে দেওয়া বিতর্কিত বক্তব্য প্রত্যাহার করলেন প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ প্রধানমন্ত্রী দেখলেন রাস্তায় কুরবানির বর্জ্য, দুই কর্মকর্তা বরখাস্ত রাতে ঢাকাসহ ১৩ জেলায় ৮০ কিমি বেগে ঝড় ও বজ্রবৃষ্টির আশঙ্কা ১০০ জনকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠাল বিএসএফ চামড়ার নামমাত্র দাম, ফেলে দিয়েছেন অনেকে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে ফেরি চলাচল বন্ধ আরও ৬০ দিন বাড়ছে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতি লাউয়াছড়া বনে মালবাহী ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত, সিলেটের সঙ্গে রেল যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন কুরবানির বর্জ্য ভালোভাবে অপসারণ হলো কিনা, ঘুরে দেখছেন প্রধানমন্ত্রী

সত্যিই কি ঘনিষ্ঠ বন্ধুর মাধ্যমে সুইস ব্যাংকে বিপুল অর্থ লেনদেন করেছেন পুতিন?

uploader3 | আপডেট: ০৯ মার্চ ২০২৩ - ০১:৫৬:২৭ পিএম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : নাম সের্জেই রলদুগিন। পেশায় বেহালা বাদক। তিনি রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ বন্ধু বলে অভিযোগ উঠেছে। আর এই বন্ধুর মাধ্যমেই সুইস ব্যাংকে বিপুল পরিমাণ অর্থ লেনদেন করার অভিযোগ উঠেছে রুশ প্রেসিডেন্টের।

জুরিখে এই সংক্রান্ত একটি মামলা চলছে। আইনজীবীরা জানিয়েছেন, এই মামলায় মূল অভিযুক্তের নাম সের্জেই রলদুগিন। এই ব্যক্তি পুতিনের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত। 

আইনজীবীদের দাবি, ২০১৪ থেকে ২০১৬ সালের মধ্যে পুতিনের বিপুল অর্থ সুইস ব্যাংকে পাচার করেছিলেন সের্জেই। এই কাজে তাকে সাহায্য করেছিলেন আরো চার আর্থিক বিশেষজ্ঞ। তাদের মধ্যে তিনজন রুশ এবং একজন সুইজারল্যান্ডের নাগরিক। যদিও এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন চারজনই।

যদিও এই ঘটনায় মূল অভিযুক্ত সের্জেইকে নিষিদ্ধ করেছিল সুইস ব্যাংক। ইউক্রেনে রুশ হামলা শুরুর পরই আরও বেশ কয়েকজন রুশ নাগরিকের সঙ্গে তাকেও নিষিদ্ধ করা হয়। অভিযোগকারীদের দাবি, ২০১৪ সালে সুইজারল্যান্ডের গ্যাজপ্রোমব্যাংকে অ্যাকাউন্ট খোলেন সের্জেই। সেখানেই গিয়ে জমা হতো হিসাব বহির্ভূত বিপুল অর্থ।

বেশ কিছুদিন আগেই সের্জেই জানিয়েছিলেন, তিনি ধনী ব্যবসায়ী নন। তার পক্ষে বিপুল সম্পদ অর্জন অসম্ভব। তখনই প্রশ্ন জাগে, তার অ্যাকাউন্টে এত অর্থ এল কী করে?

প্রসঙ্গত, সুইস মুদ্রায় মাসিক এক লাখ ডলার আয় করেন বলে দাবি করেন রুশ প্রেসিডেন্ট। তবে তার কি পরিমাণ ধন সম্পদ রয়েছে সে বিষয়ে কিছু জানায় না ক্রেমলিন। যদিও তার ঘনিষ্ঠরা বিপুল সম্পদের মালিক বলে বিভিন্ন সময়ে জানা গেছে। সর্বশেষ এই অভিযোগের বিষয়ে ক্রেমলিনের মন্তব্য চেয়েছে রয়টার্স। তবে বরাবরের মতোই অভিযোগ নিয়ে মুখে কুলুপ রুশ প্রশাসনের। সূত্র: বিবিসিদ্য গার্ডিয়ানরয়টার্সনিউ ইয়র্ক টাইমস

কিউটিভি/অনিমা/০৯ মার্চ ২০২৩,/দুপুর ১:৫৬

▎সর্বশেষ

ad