যে ভুলে ক্ষমা ও প্রতিদানের প্রতিশ্রুতি

Ayesha Siddika | আপডেট: ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৩ - ০৩:৫১:৪৪ পিএম

ডেস্ক নিউজ : মানবজীবনে কেউই ভুলের ঊর্ধ্বে নয়। জীবন চলার বাঁকে বাঁকে ইচ্ছায়-অনিচ্ছায় আমাদের থেকে ভুল প্রকাশ হয়। এসব ভুল সংশোধন করারও পদ্ধতি বলে গেছেন প্রিয় নবী (সা.)। তবে আমাদের এসব ভুলের মাঝে এমন কিছু ভুল আছে, যেগুলো ক্ষমার যোগ্য নয়। যা অত্যন্ত গর্হিত অন্যায়। আবার কিছু ভুল এমন আছে যে ভুল করা সত্ত্বেও তাকে আল্লাহ তাআলা প্রতিদান দেবেন। কোনো বিচারক যদি ইজতিহাদ করে কারো ব্যাপারে কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন অথচ তার বিচারকার্য সম্পাদন করার যোগ্যতা নেই, তাহলে এমন ব্যক্তির ভুল ক্ষমাযোগ্য নয়। আর যদি কোনো বিচারক, যার বিচারকার্য করার যোগ্যতা আছে, তিনি যদি ভুল করেন, তাহলে তার জন্য আছে প্রতিদান।

আমর ইবনে আস (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে বলতে শুনেছেন, যদি কোনো বিচারক যথাযথ চিন্তা-গবেষণার পর সমাধান প্রদান করেন, অতঃপর তিনি সঠিক সিদ্ধান্তে পৌঁছেন, তার জন্য রয়েছে দ্বিগুণ পুরস্কার। আর যদি তিনি চিন্তা-গবেষণা করে রায় প্রদান করেন তার পরও তিনি ভুল করেন, তবু তার জন্য রয়েছে একটি পুরস্কার। (সহিহ মুসলিম, হাদিস : ৪৩৭৯)

অন্য এক হাদিসে এসেছে, বুরাইদা (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী (সা.) বলেছেন, কাজিরা তিন ধরনের হয়ে থাকে। দুই প্রকারের কাজি (বিচারক) হচ্ছে জাহান্নামি এবং এক প্রকার কাজি হচ্ছে জান্নাতি। জেনেশুনে যে ব্যক্তি (বিচারক) অন্যায় রায় প্রদান করে, সে হচ্ছে জাহান্নামি। সত্যকে সম্পূর্ণরূপে উপলব্ধি না করেই যে লোক (বিচারক) মানুষের অধিকার নস্যাৎ করে, ওই ব্যক্তিও জাহান্নামি। আর যে ব্যক্তি ন্যায়সঙ্গতভাবে ফয়সালা প্রদান করে (বিচারক) সে-ও জান্নাতের অধিবাসী। (জামে তিরমিজি, হাদিস : ১৩২২)

 

 

কিউটিভি/আয়শা/০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৩/বিকাল ৩:৪৮

▎সর্বশেষ

ad