আল্লাহ ছাড়া কারো নামে কসম নয়

Ayesha Siddika | আপডেট: ১৬ জানুয়ারী ২০২৩ - ০৭:১২:০৮ পিএম

ডেস্ক নিউজ : সমাজের বহু মানুষকে মা-বাবা, মসজিদ, মাদরাসা, বিদ্যা-বুদ্ধি, খাবার-পানীয় ইত্যাদির নামে কসম করতে দেখা যায়। ইসলাম আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো নামে কসম করতে নিষেধ করেছে। অন্য কারো নামে কসম করাকে শিরকতুল্য অপরাধ ঘোষণা দিয়েছে। আবদুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.) থেকে বর্ণিত, একবার রাসুলুল্লাহ (সা.) ওমর ইবনুল খাত্তাব (রা.)-কে বাহনে আরোহণ করা অবস্থায় তাঁর পিতার নামে কসম করতে দেখলেন। তিনি তাদের ডেকে বললেন: সাবধান! আল্লাহ তোমাদেরকে তোমাদের বাপ-দাদার নামে কসম করতে নিষেধ করেছেন। কেউ কসম করতে চাইলে সে যেন আল্লাহর নামে কসম করে, নইলে যেন চুপ থাকে।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস : ৬১০৮)

অধিক কসম করা নিন্দনীয় : ইসলাম অধিক পরিমাণ কসম করা পছন্দ করে না। অধিক পরিমাণ কসম করা থেকে বিরত থাকতে উৎসাহিত করেছে। মহান আল্লাহ বলেন, ‘আর তোমরা আনুগত্য কোরো না প্রত্যেক এমন ব্যক্তির, যে বেশি কসমকারী, লাঞ্ছিত।’ (সুরা কলম, আয়াত : ১০)

কসম কেবল আল্লাহর নামে : মুমিন কেবল আল্লাহর নামেই কসম করবে, অন্য কারো নামে কসম করবে না। আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘তোমরা তোমাদের পিতার নামে কসম করবে না, মাতা বা দেব-দেবীর নামেও না। কেবল আল্লাহর নামেই কসম করবে। আর আল্লাহর নামে কসম করার ব্যাপারে তোমাদের সত্যবাদী থাকতে হবে তথা মিথ্যা কসম খাবে না।’ (সুনানে আবি দাউদ, হাদিস : ৩২৪৮)

প্রয়োজনে কসমের অনুমতি : ইসলাম প্রয়োজনের সময় কসম করার অনুমতি দিয়েছে। বিশেষত ইসলামী আদালতের নির্দেশ পালনার্থে কসম করা যাবে। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘কসম করার জন্য তোমাকে যে ব্যক্তি চাপ দেয় বা দাবি জানায় তার উদ্দেশ্যের অনুকূলে তোমাকে কসম করতে হবে। অন্য বর্ণনায় এসেছে, প্রতিপক্ষের নিয়ত বা উদ্দেশ্যের অনুকূলে করা যাবে।’ (সহিহ মুসলিম, হাদিস : ১৬৫৩)

আল্লাহ সবাইকে অনর্থক কসম থেকে বেঁচে থাকার তাওফিক দিন। আমিন

 

 

কিউটিভি/আয়শা/১৬ জানুয়ারী ২০২৩/সন্ধ্যা ৭:০৮

▎সর্বশেষ

ad