পশ্চিম তীরে ৩৩ হাজার ফিলিস্তিনির বাস্তুচ্যুতি নিয়ে জাতিসংঘের সতর্কতা

Anima Rakhi | আপডেট: ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ - ০১:২২:০৭ পিএম

ডেস্ক  : অধিকৃত পশ্চিম তীরের তিনটি শরণার্থী শিবির থেকে গত বছর পুরো ফিলিস্তিনি জনগোষ্ঠীকে জোরপূর্বক সরিয়ে দেওয়ার ঘটনা মানবতাবিরোধী অপরাধের পর্যায়ে পড়তে পারে বলে সতর্ক করেছে জাতিসংঘ।

শুক্রবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক দপ্তর এ কথা জানিয়েছে।

তবে প্রতিবেদনটি প্রত্যাখ্যান করেছে ইসরায়েল। খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

জাতিসংঘের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে অধিকৃত পশ্চিম তীরের উত্তরাঞ্চলে ইসরায়েল যে সামরিক অভিযান শুরু করেছিল, তার ফলে ৩৩ হাজারের বেশি মানুষ জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত হন।

‘অপারেশন আয়রন ওয়াল’ নামে ওই অভিযান শুরুর সময় ইসরায়েলি সেনাবাহিনী, পুলিশ ও অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনী শরণার্থী শিবিরগুলোতে প্রবেশ করে। 

জাতিসংঘের দাবি, এ সময় বেসামরিক মানুষ নিহত হন, শত শত বাড়িঘর ধ্বংস করা হয় ও বিভিন্ন অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ইসরায়েলি বাহিনী শিবিরগুলোর পানি ও বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে এবং সেখানে মানবিক সহায়তা পৌঁছানোর পথও অবরুদ্ধ করে রাখে। পরে তারা বাড়ি বাড়ি গিয়ে বাসিন্দাদের শিবির ছেড়ে যেতে বাধ্য করে।

অভিযান শুরুর কয়েক দিনের মধ্যেই ইসরায়েলি নিরাপত্তা বাহিনী শিবিরগুলোর ওপর নিয়ন্ত্রণ আরও শক্ত করে এবং সেখানকার পুরো জনগোষ্ঠীকে জোরপূর্বক সরিয়ে দেয়, বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

জাতিসংঘ সতর্ক করে বলেছে, জেনিন, নূর শামস ও তুলকারেমের মতো শরণার্থী শিবির থেকে ৩৩ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি শরণার্থীকে দীর্ঘ সময় ধরে পরিকল্পিতভাবে বাস্তুচ্যুত করার ঘটনা ‘জোরপূর্বক স্থানান্তর’ নামের মানবতাবিরোধী অপরাধের বিষয়ে গুরুতর উদ্বেগ তৈরি করছে।

জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জুলাই পর্যন্ত এই তিনটি শিবির থেকে বাস্তুচ্যুত ৩৩ হাজার ৩৬২ জন ফিলিস্তিনি শরণার্থীকে নিজ নিজ বাড়িতে ফিরতে দেওয়া হয়নি।

কিউটিভি/অনিমা/০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬,/দুপুর ১:২১

▎সর্বশেষ

ad