সবজির বাজারে কিছুটা স্বস্তি, চড়া মাছের বাজার

Ayesha Siddika | আপডেট: ২৮ আগস্ট ২০২৬ - ০২:০৮:১০ পিএম

ডেস্ক নিউজ : সবজির বাজারে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। অধিকাংশ সবজির দাম আগের তুলনায় কমে আসায় পরিমাণে কম হলেও কিনতে পারছেন ক্রেতারা। তবে বেগুন ও টমেটোর দাম এখনও কমেনি। বাজারে এখন বেশিরভাগ সবজি ৩০ থেকে ৮০ টাকার মধ্যে পাওয়া গেলেও ভালো মানের বেগুন ও টমেটো বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকা কেজি দরে।

এতে বাজারের খরচ কিছুটা সামলানো যাচ্ছে। তবে বেগুন আর টমেটোর দাম বেশি। আরেক ক্রেতা বলেন, বাজারে পটল, ঢেঁড়শ, ঝিঙে ও পেঁপে কম দামে পাওয়া যাচ্ছে  বেগুন-টমেটোও যদি একটু কমত, তাহলে বাজারে আরও স্বস্তি আসত। একটা-দুইটা সবজির দাম কমলেই তো পুরো বাজারের চাপ কমে না। বিক্রেতারা বলছেন, বাজারে সরবরাহ বাড়ায় বেশকিছু সবজির দাম কমেছে। তবে বেগুন ও টমেটোর সরবরাহ তুলনামূলক কম এবং আড়ত থেকে বেশি দামে কিনতে হচ্ছে। ফলে খুচরা বাজারেও এসব সবজির দাম কমছে না।

বহদ্দারহাট কাঁচা বাজারের সবজি বিক্রেতা নাদিম বলেন, কয়েক ধরনের সবজি এখন বেশি আসছে। তাই দাম কম। পটল, ঢেঁড়শ, ঝিঙে ও জালি ৬০ টাকার মধ্যে বিক্রি করছি। পেঁপের দাম আরও কম, ৩০ টাকা কেজি। কিন্তু বেগুন ও টমেটো আড়তেই বেশি দামে কিনতে হচ্ছে। শীতের আগাম সবজি শিম বিক্রি হচ্ছে ১৮০ থেকে ২০০ টাকা কেজিতে।

এদিকে মাছের বাজারেও দাম কমেনি। তেলাপিয়া ২৫০ থেকে ২৬০, পাঙাস ২৩০ থেকে ২৫০, রুই-কাতল ৩৮০ থেকে ৪২০, চিংড়ি ১ হাজার থেকে ১ হাজর ৩০০ টাকা কেজি, পাবদা ৩৫০ থেকে ৪০০, বড় আকারের রুই ৪৫০ থেকে ৫০০ ও ট্যাংরা ৭০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। মৃগেল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, বাইন ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, দেশি কই ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা, চাষের কই ৩০০ টাকা, পোয়া ২৬০ টাকা, আকারভেদে চাষের শিং মাছ বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে মাছের আকার এবং জীবিত ও মৃত থাকার ওপর দাম নির্ভর করে।

একেক বাজারে দাম ১০ থেকে ২০ টাকা কেজিপ্রতি কম বেশি হয়। ছোট আকারের জাটকার দাম ৯০০ টাকা, ৭০০ থেকে ৮০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ টাকা, এক কেজি ওজনের ইলিশের দাম প্রায় ২ হাজার টাকা আর দেড় কেজির বেশি ওজনের ইলিশের দাম কেজিপ্রতি ৩ হাজার টাকার বেশি।

 

 

আয়শা/২৮ অগাস্ট ২০২৬,/দুপুর ২:

▎সর্বশেষ

ad