ব্রেকিং নিউজ
এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে সালাহউদ্দিন আহমেদ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মির্জা ফখরুল কুড়িগ্রামে শহিদমিনার শাপলা চত্বর ভেঙে সংকুচিত করায় জনমনে ক্ষোভ দর্শনই মানুষকে অন্য প্রাণী থেকে আলাদা করে হত্যা মামলা থেকে বাঁচতে দেশ ছাড়তে মরিয়া আলোচিত এসপি হুমায়ুন ধর্মের নামে বিভাজনের রাজনীতির সুযোগ নেই : মির্জা ফখরুল গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে হত্যা চেষ্টা মামলা চালকের প্রার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি: ইসি আনোয়ারুল আটকের সময় রাহুল গান্ধীকে পুলিশ সদস্যের বার্তা—‘মোদিকে হটাও’ পোশাক শিল্পের বিকাশে যা প্রয়োজন, সরকার তাই করবে : প্রধানমন্ত্রী

‘আপনি কবে বড় হবেন?’— রাহুল গান্ধীকে বিজেপি নেতার প্রশ্ন

Ayesha Siddika | আপডেট: ১৪ আগস্ট ২০২৬ - ০৫:৫৮:৪৫ পিএম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে ব্যঙ্গাত্মক মন্তব্য এবং বিজেপি-আরএসএসকে ‘জোকারের দল’ বলে আখ্যায়িত করায় লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা ও কংগ্রেস সংসদ সদস্য রাহুল গান্ধীর ওপর তীব্র ভাষায় আক্রমণ চালিয়েছে শাসক দল বিজেপি। বিজেপির অভিযোগ, রাহুল গান্ধী ‘অমার্জিত ও অশালীন’ ভাষা ব্যবহার করে লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতার মতো সাংবিধানিক পদের মর্যাদা ক্ষুণ্ন করেছেন। 

বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) অনুষ্ঠিত ‘রচনাত্মক কংগ্রেস জাতীয় সম্মেলনে’ বক্তব্য দেওয়ার সময় দেশটির প্রধানমন্ত্রী মোদির পররাষ্ট্রনীতির সমালোচনা করেন রাহুল গান্ধী। তার দাবি, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রনীতি কেবল বিদেশি নেতাদের জড়িয়ে ধরার মধ্যেই সীমাবদ্ধ। বক্তব্যের একপর্যায়ে রাহুল গান্ধী মঞ্চেই কংগ্রেস নেতা সন্দীপ দীক্ষিতকে জড়িয়ে ধরে প্রধানমন্ত্রীর কূটনীতিকে ব্যঙ্গ করে দেখান। এ সময় সন্দীপ দীক্ষিত ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনিকে টেনে একটি তির্যক মন্তব্য করেন, যা নিয়ে রাহুল গান্ধীও রসিকতায় যোগ দেন। একই অনুষ্ঠানে রাহুল গান্ধী বিজেপি ও আরএসএসকে ভারতের ইতিহাস ও সংস্কৃতি সম্পর্কে অনভিজ্ঞ দাবি করে তাদের ‘জোকারের দল’ বলে অভিহিত করেন। 

এ ঘটনায় কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বিজেপি নেতারা। কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশী রাহুল গান্ধীকে রাজনৈতিকভাবে পরিপক্ব হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘রাহুল গান্ধী, আপনি কবে বড় হবেন? ভারত চালাতে পরিপক্ব নেতৃত্ব লাগে, অপেশাদার নাটকীয়তা নয়। গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকার ও তাদের সঙ্গীদের ‘জোকার’ বলা আপনার অপকর্ষতা ও অক্ষমতাই প্রমাণ করে।’ তিনি আরও বলেন, বংশানুক্রমিক রাজনীতির বাইরে এসে জনগণের ভোটে নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রীকে অপমান করা মানে ভারতের জনগণকেই অপমান করা।

আরেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গিরিরাজ সিং রাহুলের আচরণকে শালীনতার সমস্ত সীমা অতিক্রমকারী আখ্যা দিয়ে বলেন, ‘রাহুল গান্ধী মানসিকভাবে হতাশ হয়ে পড়েছেন। সোনিয়া গান্ধী যদি দ্রুত হস্তক্ষেপ করে তার চিকিৎসার ব্যবস্থা না করেন, তবে পরিস্থিতি আরও গুরুতর হতে পারে।’ বিজেপি সংসদ সদস্য বাঁশুরী স্বরাজ বিরোধীদলীয় নেতার পদের মর্যাদার কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে রাহুল গান্ধী যে ধরনের অমার্জিত ও অশালীন ভাষা ব্যবহার করেছেন, তা লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতার মর্যাদার সম্পূর্ণ পরিপন্থি।

দেশের একজন ‘গঠনমূলক বিরোধীদলীয় নেতা’ প্রয়োজন, সোশ্যাল মিডিয়ার রিলস বা মিম বানানোর জন্য সস্তা রাজনৈতিক নাটক করার লোক নয়।’ আরেক কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার সামাজিক মাধ্যম এক্সে তীব্র নিন্দা জানিয়ে লেখেন, ‘প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনিকে নিশানা করে এই ধরনের অশ্লীল কৌতুক ও কংগ্রেস নেতাদের হাসি রাজনৈতিক শালীনতার চরম অবনতি। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাই।’ 

 

 

আয়শা/১৪ অগাস্ট ২০২৬,/বিকাল ৫:৫৫

▎সর্বশেষ

ad