ব্রেকিং নিউজ
যেকোনো সময় ইসরায়েলে হামলা, হিজবুল্লাহকে প্রস্তুত থাকতে বললো ইরান যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন অ্যান্ডি বার্নহ্যাম সরকারের প্রধান লক্ষ্য মানুষের কল্যাণ নিশ্চিত করা : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইট উৎপাদনে পরিবেশবান্ধব বিকল্প প্রযুক্তি ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ প্রধানমন্ত্রীর চীনের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ক অবিচ্ছেদ্য : মির্জা ফখরুল শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণের অনুরোধ খতিয়ে দেখছে ভারত: জয়সওয়াল শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হত্যাকারী মোজাফফর সেনা হেফাজতে এক সপ্তাহে বিশ্বে তেলের দাম বাড়ল ১২ শতাংশ যুক্তরাষ্ট্রকে চ্যালেঞ্জ করতে চীনের নতুন ‘এআই জোট’ দাপুটে জয়ে সিরিজে সমতা ফেরাল বাংলাদেশ

ইয়ামালকে গোসল করিয়ে দিচ্ছেন মেসি, ওই ছবি আসল: ইউনিসেফ

Ayesha Siddika | আপডেট: ১৭ জুলাই ২০২৬ - ০৩:০২:০৯ পিএম

স্পোর্টস ডেস্ক : টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেছে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। আর সেখানে তাদের প্রতিপক্ষ ইউরোপ সেরা স্পেন। এই দুই দলের ফাইনাল নিশ্চিত হওয়ার পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘুরতে শুরু করেছে একটি ছবি, যেখানে একটি শিশুকে গোসল করিয়ে দিচ্ছেন লিওনেল মেসি। কেননা, সেই শিশুই এখন স্পেন দলের তুখোড় খেলোয়ার লামিনে ইয়ামাল।

অনেকেই ছবিটিকে ভুয়া বা এআই-নির্মিত বলে উড়িয়ে দিয়েছিলেন। তবে জাতিসংঘের শিশু তহবিল ইউনিসেফই এবার নিশ্চিত করেছে, এই ছবি কোনো কল্পনা বা প্রযুক্তির কারসাজি নয় বরং বাস্তব।
২০০৭ সালে, বার্সেলোনার ক্যাম্প ন্যুর ড্রেসিংরুমে একটি দাতব্য ক্যালেন্ডারের ফটোশুটের জন্য এই শিশুকে নিয়ে ছবি তুলেছিলেন তরুণ লিওনেল মেসি। তখন মেসির বয়স ছিল ২০ বছর। ছবিতে পোজ দেওয়ার অংশ হিসেবে মেসি তখন গোসল করিয়ে দিচ্ছিলেন লামিনে ইয়ামালকে।
ইউনিসেফের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে মেসি ও ইয়ামালের ছবিটি পোস্ট করে এর সত্যতা নিশ্চিত করা হয়েছে। পোস্টে বলা হয়েছে, হ্যাঁ, আপনারা যে ছবিগুলো দেখেছেন, সেগুলো একদম আসল।
পোস্টে আরও বলা হয়েছে, ১৮ বছরেরও বেশি সময় আগে, ইউনিসেফের তহবিল সংগ্রহের একটি ফটোশুটে লামিনে ইয়ামাল ও তার মা শিলার সঙ্গে লিওনেল মেসির দেখা হয়েছিল।
এতে বলা হয়, আজ, খেলার মাঠে তাদের সাফল্য লাখ লাখ মানুষকে অনুপ্রাণিত করে। মাঠের বাইরেও, মেসি ও লামিনে ইয়ামাল—উভয়েই ইউনিসেফের ‘গুডউইল অ্যাম্বাসেডর’ বা শুভেচ্ছাদূত হিসেবে বিশ্বজুড়ে শিশুদের সহায়তা ও তাদের অধিকারের পক্ষে কথা বলেন।
পোস্টে বলা হয়, এর লক্ষ্য কী? যাতে প্রতিটি শিশু বেঁচে থাকে, সুন্দরভাবে বেড়ে ওঠে এবং নিজেদের পূর্ণ সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে পারে। আমাদের দলে তাদের পেয়ে আমরা গর্বিত।

 

 

আয়শা/১৭ জুলাই ২০২৬,/বিকাল ৩:০০

▎সর্বশেষ

ad