স্পোর্টস ডেস্ক : আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল, এই দুল দলের ফুটবল প্রতিদ্বন্দ্বিতা বহু পুরোনো এবং সময়ের সঙ্গে এর উন্মাদনা আরও বেড়েছে। তবে এই প্রতিযোগিতার মধ্যেও দুই দেশের খেলোয়াড়দের একে অপরের প্রতি সম্মান দেখানোর উদাহরণ প্রায়ই দেখা যায়।
লিওনেল স্কালোনির অধীনে গড়ে ওঠা আর্জেন্টিনা দলকে তিনি অত্যন্ত ভারসাম্যপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে মেসির প্রশংসা করে বলেন, বয়স ৩৮ হলেও তিনি এখনও এমন একজন খেলোয়াড়, যিনি এক মুহূর্তেই ম্যাচের চিত্র বদলে দিতে পারেন। প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগ ভেঙে ফেলার ক্ষমতাও এখনও তার মধ্যে রয়েছে বলে মনে করেন ভিনিসিয়ুস।
ব্রাজিলিয়ান এই ফরোয়ার্ডের মতে, মেসির সবচেয়ে বড় শক্তি হলো তার অনিশ্চিত ও সৃজনশীল ফুটবল। মাঠে তিনি কী করবেন, তা আগেভাগে বোঝা প্রায় অসম্ভব— আর এই বিশেষ গুণই তাকে অন্যদের থেকে আলাদা করেছে। তবে আর্জেন্টিনার শক্তি স্বীকার করলেও নিজের লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত নন ভিনিসিয়ুস।
তার মূল লক্ষ্য ২০০২ সালের পর আবারও ব্রাজিলকে বিশ্বকাপ জেতানো। নতুন কোচিং স্টাফের অধীনে ব্রাজিল দল বহুদিনের শিরোপা খরা কাটিয়ে ষষ্ঠ বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন দেখছে, যেখানে দলের অন্যতম প্রধান ভরসা হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে ভিনিসিয়ুসকে। বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে ব্রাজিল রয়েছে ‘গ্রুপ সি’-তে। সেখানে তাদের প্রতিপক্ষ হবে মরক্কো, হাইতি এবং স্কটল্যান্ড।
আয়শা/২৯ মে ২০২৬,/রাত ১০:৩৩
