ডেস্ক নিউজ : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভূমিধস বিজয়ে ফুরফুরে মেজাজে ক্ষমতাসীন বিএনপি। দীর্ঘ বছর পর অনূকূল পরিবেশে এখন সাংগঠনিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে ব্যস্ততা দলটির।
এর মধ্যেই কড়া নাড়ছে স্থানীয় সরকার নির্বাচন। চলতি বছরের বর্ষা মৌসুমের পর সেপ্টেম্বর বা অক্টোবর মাস থেকে পর্যায়ক্রমে দেশজুড়ে শুরু হচ্ছে এই নির্বাচন। এক বছরের মধ্যে ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা, উপজেলা, জেলা পরিষদ ও সিটি করপোরেশন নির্বাচন সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।
এরইমধ্যে বিএনপির স্থানীয় নেতারা মাঠে নেমেছেন শক্তিমত্তা জানান দিতে। ফ্যাসিস্ট-মুক্ত পরিবেশে উপজেলা-পৌরসভা নির্বাচনে প্রার্থী হতে চান অনেকেই। তবে, প্রতীক ছাড়া নির্বাচনে সামনে আসছে নানা সমীকরণ।
প্রতীক না থাকায় দলীয় শৃঙ্খলা রক্ষা এবং একাধিক প্রার্থী ঠেকানোর চ্যালেঞ্জ এখন বিএনপির সামনে। তবে প্রতীকবিহীন নির্বাচনে সুদূরপ্রসারী ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে মনে করে বিএনপি। প্রার্থীকে সমর্থনের ক্ষেত্রে ব্যক্তি জনপ্রিয়তার ওপর জোর দিচ্ছেন দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
তিনি বলেন, ‘স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রতীকের ব্যাপারটা যখন আনা হলো, তখন সমাজের মধ্যে একটা বিবাদ সৃষ্টি হলো। ফলে সেটাকে তুলে দেয়া যথার্থ হয়েছে। এটার সুদূরপ্রসারী ফল হবে ইতিবাচক।’
বিএনপির এই জ্যেষ্ঠ নেতা আরও বলেন, ‘নির্বাচনে অবশ্যই ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তা বেশি কাজ করবে। আমাদের প্রার্থী যথাসময়ে ঘোষণা করা হবে। যখনই দলীয় হাইকমান্ডের কাছে কোনো দুর্বলতা দৃশ্যমান হবে, তখন সেটা বাতিলের মাধ্যমে নতুন আহ্বায়ক কমিটি করে কাউন্সিল সম্মেলনে সংগঠনকে শক্তিশালী করা হবে।’
ফ্যামিলি কার্ড, খাল খননের মতো নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি পূরণ হওয়ায় স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও জনগণ বিএনপি নেতাদের বেছে নেবে বলে মনে করেন স্থায়ী কমিটির সদস্য ও জ্বালানি মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।
তিনি বলেন, ‘আমাদের যেসব প্রতিশ্রুতি রয়েছে, সেগুলো আমরা পূরণ করছি। এসব প্রতিশ্রুতি পূরণের মাধ্যমে জনগণ আমাদের প্রতি স্বস্তি পাবে বলে আশা করি। এতে জনগণ আগের মতোই আমাদের সমর্থন করবে। স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সমাজে যারা সবচেয়ে সুপ্রতিষ্ঠিত, তারাই অংশ নেয়। এবারও তাই হবে।’
আয়শা/২৯ মে ২০২৬,/রাত ১০:২২
