
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আল জাজিরার সাংবাদিক ওসামা বিন জাবাইদ জানান, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন পাকিস্তানকে একটি নথি দেয়, যেখানে যুদ্ধবিরতির শর্তগুলো উল্লেখ রয়েছে। সেই নথিটিই পাকিস্তান ইরানের হাতে তুলে দিয়েছে। এখন ইরানের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক জবাবের অপেক্ষা করা হচ্ছে।
এছাড়াও খবর রয়েছে, খুব শিগগিরই যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের কর্মকর্তাদের মধ্যে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে একটি বৈঠক হতে পারে। পাকিস্তান এখানে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছে। তারা যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাব ইরানের কাছে পৌঁছে দিয়েছে, এখন ইরান কী সিদ্ধান্ত নেয় সেটাই দেখার বিষয়।
এদিকে তুরস্ক জানিয়েছে, তারা ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বার্তা আদান–প্রদানে ভূমিকা রাখছে। তুরস্কের ক্ষমতাসীন জাস্টিস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টিল বৈদেশিক বিষয়ক ভাইস চেয়ারম্যান হারুন আরমাগান বলেন, আংকারা দুই দেশের মধ্যে ‘বার্তা পৌঁছে দেয়ার কাজ’ করছে।
তার মতে, এর মূল লক্ষ্য হলো উত্তেজনা কমানো এবং ভবিষ্যতে সরাসরি আলোচনার পথ তৈরি করা। তুরস্কের যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান—দুই দেশের সঙ্গেই ভালো সম্পর্ক রয়েছে। তাই তারা নিজেকে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করছে, যাতে দুই পক্ষ সরাসরি আলোচনায় বসতে পারে।
আয়শা/২৫ মার্চ ২০২৬,/সন্ধ্যা ৬:০৮





