
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ইরান থেকে ছোড়া কয়েকটি ড্রোন আজারবাইজানের ভূখণ্ডে এসে পড়েছে বলে অভিযোগ করেছে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এসব ড্রোনের একটি নাখচিভান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের টার্মিনাল ভবনে আঘাত হানে এবং আরেকটি আঘাত করে শাকারাবাদ গ্রামের একটি স্কুল ভবনের কাছে।
বৃহস্পতিবার কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার লাইভ আপডেটে বলা হয়, এসব হামলায় অন্তত দুইজন বেসামরিক নাগরিক আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে আজারবাইজান কর্তৃপক্ষ।
তবে এই অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করেছে ইরান। ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম গারিবাবাদি বলেন, ইরান কখনোই আজারবাইজানকে লক্ষ্য করে কোনো হামলা চালায়নি।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম তাসনিমকে দেওয়া এক বক্তব্যে তিনি বলেন, “ইরান কখনোই আজারবাইজানকে লক্ষ্য করে হামলা চালায়নি। আমরা আমাদের প্রতিবেশী দেশগুলোকে লক্ষ্য করে আঘাত করি না।”
তিনি দাবি করেন, ইরানের নীতি হলো শুধুমাত্র তাদের শত্রুদের সামরিক ঘাঁটিতে হামলা করা। তার মতে, অঞ্চলজুড়ে এমন কিছু সামরিক ঘাঁটি রয়েছে যেগুলো থেকে ইরানের বিরুদ্ধে হামলা চালানো হয়।
কাজেম গারিবাবাদি আরও বলেন, এসব শত্রু ঘাঁটির মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক স্থাপনাও রয়েছে, যেগুলোকে ইরান তাদের নিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে বিবেচনা করে।
এদিকে, ড্রোন হামলার ঘটনার পর আজারবাইজানের প্রেসিডেন্ট ইলহাম আলিয়েভ ইরানের কাছে ক্ষমা দাবি করেছেন। তিনি বলেন, নাখচিভান স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলে এই ঘটনার জন্য দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে।
প্রেসিডেন্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে তিনি জানান, ঘটনাটি নিয়ে একটি জরুরি বৈঠক আহ্বান করা হয়েছে। সেখানে তিনি বলেন, নাখচিভান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের টার্মিনাল ভবন, একটি স্কুলসহ কয়েকটি স্থানে “কাপুরুষোচিত হামলা” চালানো হয়েছে।
বিবৃতিতে ইলহাম আলিয়েভ বলেন, নাখচিভান অঞ্চলে ড্রোনের মাধ্যমে হামলার লক্ষ্য ছিল বেসামরিক স্থাপনা। তিনি এই ঘটনাকে “নোংরা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড” বলে উল্লেখ করে তীব্র নিন্দা জানান।
সূত্র: আলজাজিরা
অনিমা/০৫ মার্চ ২০২৬,/রাত ১১:১৪






