ব্রেকিং নিউজ
ইরানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী নাসিরজাদেহ ও গার্ড কমান্ডার পাকপুর নিহতের দাবি আমাদের কাজগুলো যেন মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তনের জন্য হয়: প্রধানমন্ত্রী মক্কা-মদিনায় আটকা পড়েছেন হাজারো বাংলাদেশি ইরানে হামলার জেরে উত্তপ্ত মধ্যপ্রাচ্য, বদলে যেতে পারে বিশ্ব অর্থনীতি ইরানের বালিকা বিদ্যালয়ে ইসরায়েলি হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৫৩ পুলিশের শীর্ষ পদে আলোচনাঃ আইজিপি পদে আলী হোসেন ফকির আলোচনার শীর্ষে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের অগ্রযাত্রায় পাশে থাকবে ভারত: হাইকমিশনার ইউনূস সেন্টারে ফিরলেন ড. ইউনূস বৃহস্পতিবার বইমেলা উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী, দেবেন একুশে পদক ১৪ লাখ বাংলাদেশির ভিসা ইস্যু করা হয়েছে : সৌদি রাষ্ট্রদূত

ইরান কী সামরিক সহায়তা চেয়েছে? জানাল রাশিয়া

Anima Rakhi | আপডেট: ০৫ মার্চ ২০২৬ - ০৫:৪১:০৫ পিএম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় ইরানে হাজারের বেশি মানুষ নিহত হওয়ার পর তেহরানের ঘনিষ্ঠ দুই কূটনৈতিক মিত্র রাশিয়া এবং চীন এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত তারা ইরানকে সরাসরি সামরিক সহায়তা দেওয়ার কোনো ইঙ্গিত দেয়নি।

এরই মধ্যে রাশিয়া জানিয়েছে, চলমান সংঘাতের মধ্যে তেহরান এখন পর্যন্ত মস্কোর কাছে কোনো অস্ত্র বা সামরিক সহায়তা চায়নি।

ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ সাংবাদিকদের বলেন, ইরান রাশিয়ার কাছে অস্ত্র সরবরাহের কোনো অনুরোধ জানায়নি। তিনি বলেন, এই ক্ষেত্রে ইরানের পক্ষ থেকে কোনো অনুরোধ আসেনি।  আর এ বিষয়ে আমাদের ধারাবাহিক অবস্থান সবারই জানা এবং এতে কোনো পরিবর্তন হয়নি।

এর আগে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলি খামেনিকে হত্যাকে ‘মানবিক ও নৈতিক সব নিয়মের নির্মম লঙ্ঘন’ বলে মন্তব্য করেন। একই সময়ে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিদেওন সারের সঙ্গে ফোনালাপে বলেন, শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে কোনো সমস্যার স্থায়ী সমাধান হয় না। তিনি সব পক্ষকে উত্তেজনা না বাড়ানোর আহ্বান জানান।

কৌশলগত অংশীদার, তবে সামরিক জোট নয়
২০২৫ সালের জানুয়ারিতে রাশিয়া ও ইরান একটি বিস্তৃত কৌশলগত অংশীদারত্ব চুক্তি স্বাক্ষর করে। এতে বাণিজ্য, প্রতিরক্ষা সহযোগিতা, বিজ্ঞান, সংস্কৃতি ও শিক্ষা খাতে সমন্বয় জোরদারের কথা বলা হয়। এই চুক্তির মাধ্যমে দুই দেশ গোয়েন্দা ও সামরিক সমন্বয়ও বাড়ায়। পাশাপাশি ইরান রাশিয়াকে উপসাগরীয় অঞ্চলের সঙ্গে যুক্ত করার পরিবহন করিডর প্রকল্পেও কাজ শুরু করে।

সম্প্রতি ভারত মহাসাগর এলাকায় দুই দেশ যৌথ নৌ মহড়াও চালিয়েছে। তবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এই চুক্তিতে পারস্পরিক সামরিক প্রতিরক্ষার কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। অর্থাৎ কোনো একটি দেশ যুদ্ধের মুখে পড়লে অন্য দেশকে সরাসরি সামরিকভাবে অংশ নিতে হবে—এমন বাধ্যবাধকতা এতে নেই।

রুশ বিশ্লেষকদের মতে, রাশিয়া সরাসরি ইরানের পক্ষে যুদ্ধে জড়াতে চাইবে না, কারণ এতে বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে ইউক্রেন যুদ্ধ ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে মস্কো নতুন কোনো বড় সংঘাতে জড়াতে সতর্ক অবস্থান নিচ্ছে।

অনিমা/০৫ মার্চ ২০২৬,/বিকাল ৫:৪০

▎সর্বশেষ

ad