
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আইআরজিসি জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র, ইসরাইল এবং তাদের সমর্থনকারী ইউরোপীয় দেশগুলোর সামরিক ও বাণিজ্যিক জাহাজকে ওই সমুদ্রপথ দিয়ে চলাচল করতে দেয়া হবে না। আইআরজিসি সতর্ক করে বলেছে, ‘যদি এসব জাহাজকে দেখা যায়, তাহলে অবশ্যই সেগুলোর ওপর হামলা চালানো হবে।’
ইরানের বিপ্লবী গার্ড আরও জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক আইন ও বিভিন্ন প্রস্তাবনার ভিত্তিতে যুদ্ধকালীন সময়ে ইরানের ইসলামি প্রজাতন্ত্রের হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল নিয়ন্ত্রণ করার অধিকার রয়েছে।
গত শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানে আগ্রাসন শুরু করে। তখনও ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ও অন্যান্য ইস্যু নিয়ে আলোচনা চলছিল। এসব আলোচনায় ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সীমিত করা এবং আঞ্চলিক সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে সহায়তা বন্ধ করার বিষয়ও ছিল বলে জানা যায়।
হামলার জবাবে ইরান পুরো মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায়। হামলায় ইসরাইলের পাশাপাশি বাহরাইন, সৌদি আরব, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ইরাকে থাকা মার্কিন ঘাঁটি ও সামরিক স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়।
মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতর পেন্টাগন এরই মধ্যে প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পকে সতর্ক করেছে, ইরানে দীর্ঘমেয়াদি সামরিক অভিযান চালালে বড় ঝুঁকি থাকবে। বিশেষ করে ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত দ্রুত কমে আসবে এবং সেগুলো পুনরায় সংগ্রহ বা মজুত করতে বিপুল খরচ হবে।
সূত্র: আল জাজিরা
আয়শা/০৫ মার্চ ২০২৬,/বিকাল ৪:৪০






