ব্রেকিং নিউজ
ইরানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী নাসিরজাদেহ ও গার্ড কমান্ডার পাকপুর নিহতের দাবি আমাদের কাজগুলো যেন মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তনের জন্য হয়: প্রধানমন্ত্রী মক্কা-মদিনায় আটকা পড়েছেন হাজারো বাংলাদেশি ইরানে হামলার জেরে উত্তপ্ত মধ্যপ্রাচ্য, বদলে যেতে পারে বিশ্ব অর্থনীতি ইরানের বালিকা বিদ্যালয়ে ইসরায়েলি হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৫৩ পুলিশের শীর্ষ পদে আলোচনাঃ আইজিপি পদে আলী হোসেন ফকির আলোচনার শীর্ষে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের অগ্রযাত্রায় পাশে থাকবে ভারত: হাইকমিশনার ইউনূস সেন্টারে ফিরলেন ড. ইউনূস বৃহস্পতিবার বইমেলা উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী, দেবেন একুশে পদক ১৪ লাখ বাংলাদেশির ভিসা ইস্যু করা হয়েছে : সৌদি রাষ্ট্রদূত

ইরানের বিরুদ্ধে একাট্টা হচ্ছে উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলো

Ayesha Siddika | আপডেট: ০২ মার্চ ২০২৬ - ০৪:৫৩:০১ পিএম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ইরানের বিরুদ্ধে একাট্টা হচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চলের ৬ দেশ সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, ওমান, কাতার এবং কুয়েত। গতকাল এই ছয় দেশের জোট গালফ কো-অপারেশন কাউন্সিলের (জিসিসি) বৈঠকে এর আভাস পাওয়া গেছে।

গতকাল ১ মার্চ জিসিসি জোটের দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ে অনলাইন বৈঠক হয়েছে। এতে চেয়ারম্যান হিসেবে ছিলেন বাহরাইনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. আবদুললতিফ বিন রাশিদ আল জায়ানি। বৈঠকে যোগ দেয় মধ্যপ্রাচ্যের অপর দেশ জর্ডানও। যদিও জর্ডান জিসিসির সদস্য নয়।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি সকালে তেহরানে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার মধ্যে দিয়ে ইরানের সঙ্গে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ শুরু হয়। যুদ্ধের প্রথম ও দ্বিতীয় দিন অর্থাৎ ২৮ ফেব্রুয়ারি ও ১ মার্চ মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলের ২৮টি মার্কিন ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায় ইরানের সেনাবাহিনী। এসব ঘাঁটির বেশিরভাগই উপসাগরীয় অঞ্চলের এই ছয় দেশে অবস্থিত। ইরানের হামলায় এই দেশগুলোতে কয়েকজন নিহত এবং আহতও হয়েছেন।

গতকালের বৈঠকে জিসিসি’র পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা ইরানের হামলার কঠোর নিন্দা জানিয়ে বলেছেন, সামরিক স্থাপনা ও সেনাদের পাশাপাশি বেসামরিক বিভিন্ন স্থাপনা এবং লোকজনও ইরানের হামলার শিকার হয়েছেন এবং এসব হামলার মাধ্যমে তেহরান জিসিসি এবং মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশের সার্বভৌমত্ব, আন্তর্জাতিক আইন, এবং ভালো প্রতিবেশীসুলভ নীতির গুরুতর লঙ্ঘন করেছে।

বৈঠকে জিসিসি জোটের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা পরস্পরের প্রতি সংহতি জানান এবং এসব হামলার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তুলতে একমত হন। প্রসঙ্গত, জিসিসি সনদ এবং যৌধ প্রতিরক্ষা চুক্তি অনুসারে জিসিসির কোনো সদস্যরাষ্ট্র যদি হামলার শিকার হয়— তাহলে তা পুরো জিসিসির ওপর হামলা বলে বিবেচনা করা হবে এবং সেক্ষেত্রে হামলাকারীর বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তুলবে জিসিসি।

রোববারের বৈঠকে উপসাগরীয় অঞ্চলের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা এই মর্মে একমত হন যে ভবিষ্যতে ইরান থেকে এমন আগ্রাসী হামলা অব্যাহত থাকলে জিসিসির সনদ ও যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি অনুযায়ী পদক্ষেপ নেবে এই ৬ সদস্যরাষ্ট্র।

সূত্র : আরব নিউজ

 

আয়শা/০২ মার্চ ২০২৬,/বিকাল ৪:৫০

▎সর্বশেষ

ad