ব্রেকিং নিউজ
ইরানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী নাসিরজাদেহ ও গার্ড কমান্ডার পাকপুর নিহতের দাবি আমাদের কাজগুলো যেন মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তনের জন্য হয়: প্রধানমন্ত্রী মক্কা-মদিনায় আটকা পড়েছেন হাজারো বাংলাদেশি ইরানে হামলার জেরে উত্তপ্ত মধ্যপ্রাচ্য, বদলে যেতে পারে বিশ্ব অর্থনীতি ইরানের বালিকা বিদ্যালয়ে ইসরায়েলি হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৫৩ পুলিশের শীর্ষ পদে আলোচনাঃ আইজিপি পদে আলী হোসেন ফকির আলোচনার শীর্ষে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের অগ্রযাত্রায় পাশে থাকবে ভারত: হাইকমিশনার ইউনূস সেন্টারে ফিরলেন ড. ইউনূস বৃহস্পতিবার বইমেলা উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী, দেবেন একুশে পদক ১৪ লাখ বাংলাদেশির ভিসা ইস্যু করা হয়েছে : সৌদি রাষ্ট্রদূত

সংযম ও সংলাপের আহ্বান মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর

Ayesha Siddika | আপডেট: ০১ মার্চ ২০২৬ - ১০:৩৫:১৬ পিএম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন।এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, এ ধরনের ঘটনা মধ্যপ্রাচ্যকে দীর্ঘস্থায়ী ও ভয়াবহ অস্থিতিশীলতার কিনারায় ঠেলে দিতে পারে। এ কঠিন সময়ে তিনি ইরান সরকার ও জনগণের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, কোনো রাষ্ট্রপ্রধানকে পরিকল্পিতভাবে লক্ষ্যবস্তু করা আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার ভিত্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত নীতিমালা ও মূল্যবোধকে দুর্বল করে। যারা এ হত্যাকাণ্ডকে সমর্থন করছেন, তাদের এমন পদক্ষেপের সুদূরপ্রসারী পরিণতি বিবেচনা করা উচিত। অস্তিত্বগত হুমকি থেকে সৃষ্ট প্রতিক্রিয়া সাধারণত পূর্বানুমানযোগ্য হয় না বলেও তিনি সতর্ক করেন।

একই সঙ্গে তিনি ইরানি কর্তৃপক্ষকে সর্বোচ্চ সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানান। মালয়েশিয়া অন্যান্য উদ্বিগ্ন দেশের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে সব পক্ষকে উত্তেজনা বৃদ্ধি থেকে সরে এসে পরিস্থিতি শান্ত করার আহ্বান জানিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ইরান, উপসাগরীয় দেশসমূহ এবং বৃহত্তর মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত মালয়েশীয় নাগরিকদের নিরাপত্তা ও কল্যাণই তার সরকারের প্রধান উদ্বেগ। প্রভাবিত অঞ্চলে থাকা সকল মালয়েশীয়কে আশ্বস্ত করে তিনি জানান, তাদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সরকার সর্বাত্মক ব্যবস্থা গ্রহণ করছে। সংশ্লিষ্ট দেশগুলোতে অবস্থিত মালয়েশিয়ার দূতাবাস ও কূটনৈতিক মিশনগুলোকে প্রয়োজনীয় পূর্ণ ক্ষমতা ও সম্পদ দেওয়া হয়েছে, যাতে তারা নাগরিকদের সহায়তা করতে পারে।

চলমান সংকটের অর্থনৈতিক প্রভাবও জরুরিভিত্তিতে মূল্যায়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। বিশেষ করে আঞ্চলিক আকাশপথের নিরাপত্তা এবং হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলের স্বাধীনতার ওপর সম্ভাব্য ঝুঁকি পর্যালোচনা করা হবে। মালয়েশিয়ার বাণিজ্য ও জ্বালানি নিরাপত্তা এ অঞ্চলের স্থিতিশীলতার সঙ্গে সরাসরি সংশ্লিষ্ট উল্লেখ করে তিনি জাতীয় স্বার্থ সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানান।

বিবৃতির শেষাংশে প্রধানমন্ত্রী তাৎক্ষণিক যুদ্ধবিরতি, বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা এবং অর্থবহ সংলাপে ফেরার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, এ সংকটের সমাধান শক্তি প্রয়োগে সম্ভব নয়- এর জন্য প্রয়োজন কূটনীতি, সংযম এবং রাজনৈতিক সদিচ্ছা।

 

 

আয়শা/০১ মার্চ ২০২৬,/রাত ১০:৩২

▎সর্বশেষ

ad