
এমন পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ ইস্যুতে মুখ খুলেছেন দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক তারকা ফিল্ডার ও ক্রিকেট কিংবদন্তি জন্টি রোডস। তবে অনেকের মতো তিনি খেলাধুলাকে রাজনীতির বাইরে রাখার পক্ষে সরাসরি অবস্থান নেননি। বরং বাস্তবতার কথা তুলে ধরে রাজনীতি ও ক্রীড়াঙ্গনের পারস্পরিক সম্পর্কের বিষয়টি সামনে এনেছেন।
বিশ্বকাপ উপলক্ষে আয়োজিত এক প্রচারণামূলক অনুষ্ঠানে রোডস বলেন, প্রশাসকরা প্রায়ই চান খেলাধুলা রাজনীতিমুক্ত থাকুক, কিন্তু বাস্তবে সেটি সব সময় সম্ভব হয় না। নিজের দেশের অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনে আন্তর্জাতিক ক্রীড়া নিষেধাজ্ঞা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল।
রোডসের ভাষায়, ‘আমরা সবসময় চাই খেলাধুলাকে রাজনীতি থেকে আলাদা রাখতে। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য- রাজনীতি ও খেলাধুলাকে পুরোপুরি আলাদা করা যায় না।’উল্লেখ্য, ভারতের মাটিতে গিয়ে ম্যাচ না খেলার বিষয়ে নিজেদের অবস্থানে অনড় থাকায় বাংলাদেশের বিশ্বকাপ ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। শেষ পর্যন্ত আইসিসি বাংলাদেশকে বাদ দিয়ে স্কটল্যান্ডকে সুযোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।
এদিকে গুঞ্জন ছিল বাংলাদেশের পাশে দাঁড়িয়ে পাকিস্তানও বিশ্বকাপ বয়কট করতে পারে। তবে সেই শঙ্কা কাটিয়ে আজ ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য নিজেদের দল ঘোষণা করেছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)।
আয়শা/২৫ জানুয়ারী ২০২৬,/সন্ধ্যা ৬:৩৩






