
স্পোর্টস ডেস্ক : ২০০৭ সালে কানাডায় আয়োজিত বিশ্বকাপে শেষবার শিরোপা জিতেছিল আর্জেন্টিনা। দিয়েগো প্লাসেন্তের অধীনে এবারের তরুণ দলটি ১৮ বছরের এই শিরোপা খরা কাটাতে চাইছে। তবে প্রশ্ন আসে—সেই শেষবারের চ্যাম্পিয়ন দলের খেলোয়াড়দের এখন কী অবস্থা?
হুগো টোকালির অধীনে সেই আর্জেন্টিনা দলটিতে ছিলেন বেশ কয়েকজন প্রতিশ্রুতিশীল তরুণ, যারা পরে ইউরোপীয় ফুটবলে উজ্জ্বল নক্ষত্রে পরিণত হন। এমনকি ২০২২ সালে কাতারে আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের ৩৬ বছরের বিশ্বকাপ খরা কাটাতেও রেখেছেন গুরুত্বপূর্ণ অবদান। তাদের মধ্যে সবচেয়ে বড় নাম অ্যানহেল ডি মারিয়া।

সেই ২০০৭ সালের দলের সবচেয়ে বড় তারকা ছিলেন সার্জিও ‘কুন’ আগুয়েরো। তিনি শুধু দুর্দান্ত পারফরম্যান্সই দেখাননি, বরং ছয় গোল করে টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ গোলদাতাও হয়েছিলেন। আর্জেন্টিনা সেই ফাইনালে চেক প্রজাতন্ত্রকে ২-১ গোলে হারিয়ে দুই বছর আগে নেদারল্যান্ডসে জেতা শিরোপা ধরে রাখে। তবে আগুয়েরোর ক্যারিয়ার ২০২১ সালে হঠাৎই থেমে যায়। বার্সেলোনার হয়ে খেলার সময় তার হৃদযন্ত্রের অনিয়মিত স্পন্দন (অ্যারিদমিয়া) ধরা পড়ে। বর্তমানে তিনি স্ট্রিমার হিসেবে কাজ করছেন এবং ই-স্পোর্টস দল ‘কেআরইউ ইস্পোর্টস’ ও ‘কুনিস্পোর্টস’র সিইও হিসেবে। দ্বিতীয় দলটি নিয়মিত কিংস লিগে অংশ নেয়।
অন্যদিকে, সেই দলে থাকা প্রায় ৪৮ শতাংশ খেলোয়াড় এখনও পেশাদার ফুটবল খেলছেন। তাদের মধ্যে আছেন লানুসের আইকন লাউতারো আকোস্তা, নিউওয়েলস ওল্ড বয়েজের অধিনায়ক ও তারকা এভার বানেগা এবং জাতীয় দলের সাবেক গোলরক্ষক সার্জিও রোমেরো—যিনি বোকা জুনিয়র্স ছেড়ে সম্প্রতি আর্জেন্টিনোস জুনিয়র্সে যোগ দিয়েছেন।
২০০৭ অনূর্ধ্ব-২০ বিশ্বকাপজয়ী দলে যারা ছিল: সার্জিও রোমেরো, হাভিয়ের গার্সিয়া, ব্রুনো সেন্তেনো, ফেদেরিকো ফাজিও, এমিলিয়ানো ইনসুয়া, গ্যাব্রিয়েল মেরকাদো, মাতিয়াস কাহাইস, মাতিয়াস সানচেজ, হেরমান ভবোরিল, লিওনার্দো সিগালি, ক্লাউদিও ইয়াকোব, এভার বানেগা, দামিয়ান এস্কুদেরো, আলেহান্দ্রো ক্যাব্রাল, আলেহান্দ্রো ‘পাপু’ গোমেজ, মাক্সিমিলিয়ানো মোরালেজ, অ্যানহেল ডি মারিয়া, মাউরো জারাতে, সার্জিও আগুয়েরো, পাবলো পিয়াত্তি ও লাউতারো আকস্তা।
আয়শা/১৯ অক্টোবর ২০২৫,/রাত ৮:০০






