ব্রেকিং নিউজ
সমঝোতার পর হরমুজ প্রণালি পাড়ি দিল ইরানের ১১ বাণিজ্যিক জাহাজ সেনাবাহিনী দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বিশ্বপরিসরেও অবদান রাখছে : সেনাপ্রধান নিরাপত্তার ঘেরাটোপ যেন সরকার প্রধানকে জনগণ থেকে দূরে ঠেলে না দেয় : প্রধানমন্ত্রী রিজার্ভ চুরির মামলার খসড়া চার্জশিট: আতিউরসহ অভিযুক্ত ৬৪ জন সংসদের অধিবেশন শুরু শরীরে নেই পোশাক, ব্রাজিলীয় সুন্দরীর কান্ড কানাডায় মুখোমুখি ঘানা ও পানামা বিশ্ব সংবাদ ইরান চুক্তিতে বিশ্ববাজারে উচ্ছ্বাস: ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি বাংলাদেশের অবস্থান শক্তিশালী করতে ভূমিকা রাখবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ‘সুগন্ধি আসছে’ সন্দেহে মৃত্যুর ১৮ দিন পর তরুণীর কবর খুঁড়লেন স্বজনরা

রাতে শিশু ঘুমাতে চায় না, কী করবেন?

Anima Rakhi | আপডেট: ২৫ আগস্ট ২০২৫ - ০৩:২০:৩০ পিএম
লাইফ ষ্টাইল ডেস্ক  : আধুনিক জীবনে শিশুদের জীবনে এসেছে বড় পরিবর্তন। পড়াশোনার চাপ, প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ আর মোবাইলের দীর্ঘ ব্যবহার শিশুদের মানসিক ক্লান্তি বাড়িয়ে তুলেছে। এর ফলে রাতে ঘুমের সমস্যা অনেক বাবা-মায়ের চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বয়স অনুযায়ী কিছু ছোট্ট অভ্যাস শিশুদের দ্রুত ঘুমাতে সাহায্য করতে পারে।৩ বছরের নিচে বয়স

সাধানণত শিশুরা এই বয়সে ১১ থেকে ১৪ ঘন্টা ঘুমায়। এই সময় তারা নিজের ইচ্ছা প্রকাশ করতে শুরু করে। এই বয়সের শিশুদের জন্য আলাদা প্রস্তুতি নেওয়ার দরকার পড়ে না। দিনে একবার হালকা গরম পানিতে গোসল করানো এতে শিশু আরামবোধ করবে। গোসলের পর আলতো করে তেল মালিশ করলে শরীর শান্ত হয় এবং ঘুম ভালো হয়। রাতের খাবারের পর গান শোনানো বা মজার গল্প শিশুকে শান্ত করতে সাহায্য করে, এটি ঘুম আসার জন্য আরামদায়ক উপায় হতে পারে।

৩-৫ বছর 

এই বয়সের শিশুরা সাধারণত ১০-১৩ ঘন্টা ঘুমায়। এই বয়সের শিশুদের জন্য একটি রুটিন করে নেওয়া খুব জরুরি। প্রতিদিন একই সময়ে ঘুম পাড়ানো ও ঘুম থেকে ওঠার অভ্যাস তৈরি করতে হবে। ঘুমের আগে ইতিবাচক গল্প শোনাতে হবে।

৫-১০ বছর 

এই বয়সে শিশুরা স্কুলে যাওয়া শুরু করে এবং পড়াশোনার চাপও বাড়তে থাকে। এই সময়ে শিশুদের অনেক জিজ্ঞাসা থাকে বা তারা অনেক কথা বলতে চায়, দিনের অন্তত আধা ঘন্টা শিশুর কথা মনোযোগ দিয়ে শুনুন। এতে তাদের মানুসিক চাপ কমে যাবে। রাতে ঘুমানোর আগে শিশুকে পছন্দের বই পড়ার সুযোগ করে দিতে হবে। এতে একটি ভালো ঘুমের অভ্যাস হয়ে উঠবে। রাতে ঘুমানোর অন্তত এক ঘন্টা আগে মোবাইল,কম্পিউটার বা টিভি থেকে শিশুকে দূরে রাখতে হবে। হালকা ও আরামদায়ক পোশাক পরার অভ্যাস তৈরি করলে দ্রুত ঘুম আসবে।

১১-১৩ বছর 

এই বয়সে শিশুদের ওপর মানসিক চাপ বাড়তে শুরু করে। এই বয়সে শিশুদের খেলাধুলা বা ব্যায়ামের অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। শরীর সক্রিয় থাকলে রাতে ঘুম ভাল হবে। রাতে ঘুমানোর এক ঘন্টা আগে সব ধরণের ডিজিটাল ডিভাইস থেকে শিশুকে দূরে রাখতে হবে। সন্ধ্যায় বা রাতে মিষ্টিজাতীয় খাবার তাদের ডায়েটে না রাখাই ভালো। কারণ এতে থাকা চিনি তাদের ঘুমের ব্যাঘাত ঘটাতে পারে।

কুইকটিভি/অনিমা/২৫ আগস্ট ২০২৫/বিকাল ৩:২০
 
▎সর্বশেষ

ad