অন্তর্বর্তী সরকার রোহিঙ্গা ইস্যুটিকে খুব গুরুত্ব দিয়ে দেখছেন। গেল রমজানে জাতিসংঘ মহাসচিবকে নিয়ে প্রধান উপদেষ্টা রোহিঙ্গা ক্যাম্প সফর করেছিলেন। সেসময় প্রধান উপদেষ্টা বলেছিলেন আগামী ঈদ যেন রোহিঙ্গারা তাদের দেশে উদযাপন করতে পারে। সেই আলোকে রোহিঙ্গা সংকট যাতে আবারও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আলোচনার বিষয় হয় সেজন্য তিনটি আন্তর্জাতিক সম্মেলন করার পরিকল্পনা নেয়া হয়।
জানা গেছে, ৩০ সেপ্টেম্বর সবচেয়ে বড় সম্মেলনটি হবে জাতিসংঘে। সেখানে ১৭০টি দেশ অংশ নেবে বলে আশা করা হচ্ছে। তারপর কাতারের দোহাতে আরেকটা বড় সম্মেলন আয়োজন করতে যাচ্ছে সরকার।
স্টেকহোল্ডারসদের নিয়ে এই ডায়ালগের আয়োজন করছে রোহিঙ্গা ইস্যু বিষয়ক হাই রিপ্রেজেন্টেটিভের দপ্তর ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। ২৪ আগস্ট শুরু হওয়া সম্মেলন চলবে ২৬ আগস্ট পর্যন্ত।
আজ দুপুর ১টার পর প্রধান উপদেষ্টার কক্সবাজার ত্যাগ করার কথা রয়েছে।
স্টেকহোল্ডারদের নিয়ে এই ডায়ালগের আয়োজন করেছে রোহিঙ্গা বিষয়ক হাই রিপ্রেজেন্টেটিভের দপ্তর এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। মানবিক সহায়তা, প্রত্যাবাসনে আস্থা গঠন, নৃশংসতার জন্য জবাবদিহিতা এবং সংকটের কার্যকর দীর্ঘমেয়াদী সমাধানের পথ নিয়ে মোট পাঁচটি বিষয়ভিত্তিক অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে এতে।
সংলাপে দেশি-বিদেশী বিশেষজ্ঞ, কূটনৈতিক, রোহিঙ্গা সম্প্রদায় ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরা রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে নানা মত ও সুপারিশ তুলে ধরবেন।
কক্সবাজারে সংলাপে অংশগ্রহণকারীরা আগামীকাল মঙ্গলবার রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করবেন।
