আন্তর্জাতিক ডেস্ক : শনিবার এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, এ বিষয়ে তিনি ইতিমধ্যে জর্ডানের বাদশাহ আবদুল্লাহর সাথে ফোনে কথা বলেছেন এবং রোববার মিশরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসির সাথে কথা বলবেন।
এর আগে ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের আশ্রয় দেয়ায় জর্ডানের প্রশংসা করে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি চাই আপনি আরও ( ফিলিস্তিনির) দায়িত্ব গ্রহণ করুন। কারণ আমি এখন পুরো গাজা উপত্যকাকে লক্ষ্য করছি এবং সেটা এখন একটা ধ্বংসস্তুপ ছাড়া আর কিছু না।
এটি কি অস্থায়ী নাকি দীর্ঘমেয়াদী পরামর্শ জানতে চাইলে ট্রাম্প বলেন, যেকোনোটি হতে পারে। ট্রাম্প আরও বলেন, ‘আমি চাইব মিশরও সেখানকার ফিলিস্তিনিদের আশ্রয় দিক।’ এ বিষয়ে রোববার মিশরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসির সাথে ট্রাম্প কথা বলবেন বলেও সাংবাদিকদের জানান।
জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে জর্ডানে ২৩ লাখ ৯০ হাজারের বেশি নিবন্ধিত ফিলিস্তিনি শরণার্থী রয়েছেন। এ ছাড়া, বিশ্বব্যাপী প্রায় ৫৯ লাখ ফিলিস্তিনি শরণার্থী রয়েছেন।
এদিকে গত বছর ওয়াশিংটন বলেছিল যে তারা ফিলিস্তিনিদের জোরপূর্বক স্থানান্তর করার পক্ষে নয়। মানবাধিকার গোষ্ঠী এবং মানবিক সংস্থাগুলোও কয়েক মাস ধরে গাজার পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছে। যেখানে ইসরাইল-হামাস ১৫ মাসের যুদ্ধের ফলে প্রায় পুরো জনসংখ্যা বাস্তুচ্যুত হয়েছে এবং ক্ষুধা সংকট তীব্র হয়েছে।
অন্যদিকে ইসরাইলকে সমর্থন করার জন্য ওয়াশিংটন বিভিন্ন সময় সমালোচনার সম্মুখীন হয়েছে। তারপরও মিত্রের প্রতি সমর্থন বজায় রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র। তাদের যুক্তি এটি ইরান-সমর্থিত গাজার হামাস, লেবাননের হিজবুল্লাহ এবং ইয়েমেনের হুতি গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে ইসরাইলকে রক্ষা করতে সহায়তা করছে। কাতার, মিশর ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় গত ১৯ জানুয়ারি থেকে হামাস ও ইসরাইলের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছে।
কিউটিভি/আয়শা/২৬ জানুয়ারী ২০২৫,/সন্ধ্যা ৭:৩০
