ব্রেকিং নিউজ
কুড়িগ্রামে শহিদমিনার শাপলা চত্বর ভেঙে সংকুচিত করায় জনমনে ক্ষোভ দর্শনই মানুষকে অন্য প্রাণী থেকে আলাদা করে হত্যা মামলা থেকে বাঁচতে দেশ ছাড়তে মরিয়া আলোচিত এসপি হুমায়ুন ধর্মের নামে বিভাজনের রাজনীতির সুযোগ নেই : মির্জা ফখরুল গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে হত্যা চেষ্টা মামলা চালকের প্রার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি: ইসি আনোয়ারুল আটকের সময় রাহুল গান্ধীকে পুলিশ সদস্যের বার্তা—‘মোদিকে হটাও’ পোশাক শিল্পের বিকাশে যা প্রয়োজন, সরকার তাই করবে : প্রধানমন্ত্রী যেকোনো সময় ইসরায়েলে হামলা, হিজবুল্লাহকে প্রস্তুত থাকতে বললো ইরান যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন অ্যান্ডি বার্নহ্যাম

থানার পেজে ওসির পোস্ট, মায়ের কোলে ফিরল নিখোঁজ রাফি

Ayesha Siddika | আপডেট: ২১ জুন ২০২৪ - ০২:৫২:১৪ পিএম

ডেস্ক নিউজ : বাসায় বেড়াতে আসা স্বজনদের বিদায় জানাতে গিয়ে মা-বাবার পেছনে ছুটে নিখোঁজ হয় আড়াই বছর বয়সী শিশু রাফি। এদিকে সেই রাফির পরিবারের সন্ধানে থানার ফেসবুক পেজে পোস্ট করেন ওসি। দুই ঘণ্টার মধ্যেই পেয়ে যান পরিবারের সন্ধান। মায়ের কোলে ফিরে যায় ছোট্ট শিশু রাফি। বৃহস্পতিবার (২০ জুন) সকালে এমন ঘটনা ঘটে চট্টগ্রাম নগরীর বায়েজিদ বোস্তামী থানা এলাকায়।

হারিয়ে যাওয়া রাফি বায়েজিদ থানার শান্তিনগর এলাকার বাসিন্দা জুয়েল রানা-আফিয়া বেগম দম্পতির একমাত্র ছেলে। তাদের গ্রামের বাড়ি রাঙামাটি জেলার লংগদু উপজেলার। ঘটনার বিস্তারিত তুলে ধরেন বায়েজিদ বোস্তামী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সঞ্জয় কুমার সিনহা।

তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে শান্তিনগর এলাকা থেকে আড়াই বছরের শিশু রাফি হারিয়ে যায়। এক মহিলা আনন্দবাজার এলাকায় রাফিকে কাঁদতে দেখে থানায় নিয়ে আসে। এরপর তার পরিবারের সন্ধানে থানার ফেসবুক পেজে আমি একটি পোস্ট দিই। সেই পোস্ট দেখে এক ব্যক্তি রাফির মা-বাবাকে খবর দেন। তারা থানায় ছুটে আসলে রাফিকে তাদের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

তবে এমন ঘটনা নতুন নয়। আগেও একাধিকবার থানার ফেসবুক পেজের মাধ্যমে হারানো সন্তানকে পরিবারের কাছে তুলে দিয়েছেন বায়েজিদ থানার এই ওসি। তিনি বলেন, প্রায়ই আমাদের থানায় হারিয়ে যাওয়া শিশুদের খবর আসে। তখন আমি থানার নামে খোলা একটি ফেসবুক আইডিতে পোস্ট দিই। সেসব পোস্ট মানুষ প্রচুর শেয়ার করে। ফলে, নিখোঁজ হওয়া এসব শিশুদের তাদের বাবা-মা সহজেই খুঁজে পান। রাফির ক্ষেত্রেও আমি একইভাবে পোস্ট দিই। দুই ঘণ্টার মধ্যেই তার পরিবার আমাদের সাথে যোগাযোগ করে। কিছুদিন আগে মা-বাবার সাথে রাগ করে ঘরছাড়া আশরাফুল ইসলাম নামে ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরকেও ফেসবুক পোস্ট দেখে তার মা-বাবা নিতে আসেন।

‘যদিও এটি পেশাগত কাজেরই অংশ, কিন্তু যখন পরিবার তার হারানো বুকের ধনকে ফিরে পায়, আমারও আনন্দ লাগে।’ বলে যোগ করেন ওসি। রাফির বাবা জুয়েল রানা বলেন, বৃস্পতিবার সকালে ঘরে আসা মেহমানদের এগিয়ে দিতে আমি এবং আমার স্ত্রী ঘর থেকে বের হই। রাফিও তখন আমাদের পিছু পিছু বের হয়। এরপর থেকে তাকে আমরা খুঁজে পাচ্ছিলাম না। আমার বন্ধু হাসান ওসি স্যারের ফেসবুক পোস্ট দেখে আমাকে জানায় রাফি থানায় আছে। এরপর আমি রাফিকে নিতে থানায় ছুটে আসি। জুয়েল আরও বলেন, ওসি স্যার যদি ফেসবুকে পোস্ট না দিতেন তাহলে মনে হয় আমার ছেলেকে খুঁজে পেতে অনেক কষ্ট হতো।

 

 

কিউটিভি/আয়শা/২১ জুন ২০২৪,/দুপুর ২:৩৪

▎সর্বশেষ

ad