ব্রেকিং নিউজ
মাঝ আকাশে দুই যুদ্ধবিমানের সংঘর্ষে ফিলিপিন্সের ৪ পাইলট নিহত প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে অর্থনৈতিক সহযোগিতায় নতুন গতির আশা টোকিওর সংবিধান সংশোধন: বিশেষ কমিটির নবম বৈঠক চলছে মিথ্যাচার করে সরকারের ভাবমূর্তি নষ্টের চেষ্টা করছে জামায়াত: রিজভী গাজীপুরে পোশাক কারখানার আগুন নিয়ন্ত্রণে শান্তিপূর্ণভাবে দুর্গাপূজা সম্পন্ন হওয়ায় রংপুর রেঞ্জ ডিআইজির কৃতজ্ঞতা হুমকিতে ব্যাংক-সরকারি পোর্টালে সাইবার হামলার আশংকা, উচ্চ সতর্কতা জারি প্রধানমন্ত্রীর সফরকালে জাপানে থাকবেন না রাষ্ট্রদূত শান্তিপূর্ণভাবে পূজা সম্পন্ন হওয়ায় আইজিপিকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের ধন্যবাদ কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে বিএনপির কমিটি বাতিলের দাবি, বিক্ষোভ ও কুশপুত্তলিকা দাহ

জাজিরায় প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের অনিয়ম তদন্তে প্রভাব বিস্তার, বাঁধাগ্রস্ত তদন্ত

Ayesha Siddika | আপডেট: ২৬ অক্টোবর ২০২৬ - ০৭:৫৮:২২ পিএম
খোরশেদ আলম বাবুল, শরীয়তপুর প্রতিনিধি : শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার, প্রশাসনিক অনিয়ম ও শিক্ষকদের হয়রানির অভিযোগ তদন্ত শুরু করেছে তদন্ত কমিটি। তদন্ত বিলম্বিত ও বাঁধাগ্রস্ত করতে মরিয়া হয়েছে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা। তিনি স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তি, পক্ষের শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের নিয়ে তদন্তে বাঁধা সৃষ্টি করেন।

এক পর্যায়ে তদন্ত শেষ না করেই চলে যেতে হয়েছে তদন্ত কর্মকর্তার। ২৬ অক্টোবর সোমবার সকাল ১১টার দিকে অভিযোগের তদন্তে যায় তদন্ত কর্মকর্তা ও শরীয়তপুরের পিটিআই সুপারিনটেনডেন্ট মো. সেলিম। পরিস্থিতি ঘোলাটে দেখে তিনি তদন্তের স্থান পরিবর্তন করেন। পরে তদন্ত শেষ না করে চলে যেতে হয়েছে তাকে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, জাজিরা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. বজলুর রহমানের বিরুদ্ধে অনিয়মের ফিরিস্তি তুলে ধরে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবর অভিযোগ দায়ের করেন কতিপয় শিক্ষক। অভিযোগের তদন্ত ভার গ্রহণ করে ২৬ অক্টোবর তদন্তে যায় শরীয়তপুর পিটিআই সুপারিনটেনডেন্ট মো. সেলিম।

অভিযোগ দায়েরকারী শিক্ষকদের দাবি, তদন্ত শুরুর আগেই উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. বজলুর রহমান অভিযোগে স্বাক্ষরকারী শিক্ষকদের বাড়ি ও বিদ্যালয়ে গিয়ে প্রভাবিত করেন। শিক্ষা কর্মকর্তার নির্দেশে তদন্ত কর্মকর্তার কাছে বয়ান না দিলে তাদের হয়নারীর হুমকিও দেয়া হয়। নাম প্রকাশে অনাগ্রহী কতিপয় শিক্ষক দাবি করেন, প্রশাসনিক চাপে অভিযোগকারী কতিপয় শিক্ষককে স্বাক্ষর অস্বীকার করতে বাধ্য করা হয়েছে। সে কারণে অভিযোগকারী শিক্ষকরা তাদের অভিযোগের কথা তদন্তে প্রকাশ করতে পারেনি।

অভিযোগের কথা অস্বীকার করে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. বজলুর রহমান বলেন, তিনি ১৩ মাস পূর্বে জাজিরা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে যোগদান করেছেন। যোগদানের পর থেকে শিক্ষক নেতাদের ক্ষমতা অপসারণ করে পাঠদানে বাধ্য করেছেন। স্লিপ ও ক্ষুদ্র মেরামতের বরাদ্দ সংশ্লিষ্ট খাতে শতভাগ ব্যয় করিয়েছেন। যারা সঠিক সময়ে বিদ্যালয়ে উপস্থিত না হয়েছেন তাদের কারণ দর্শিয়েছেন। ফলে অনিয়মকারী শিক্ষকরা এমন অভিযোগ করেছেন। যার সত্যতা নাই।

তদন্তের দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সেলিম জানায়, প্রাথমিক তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। তদন্তকালে উভয় পক্ষের লোকজন উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি ঘোলাটে করেছে তা সামাল দিতে সময় কেটে যায়। তদন্ত পূর্ণাঙ্গ ভাবে শেষ করা সম্ভব হয়নি। বিষয়টি নিয়ে জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সাথে মিটিংয়ে বসেছি। তাদের সহযোগিতায় ও নির্দেশনা অনুযায়ী তদন্ত শেষ করব।

আয়শা/২৬ অক্টোবর ২০২৬,/সন্ধ্যা ৭:৪০
▎সর্বশেষ

ad