ব্রেকিং নিউজ
দর্শনই মানুষকে অন্য প্রাণী থেকে আলাদা করে হত্যা মামলা থেকে বাঁচতে দেশ ছাড়তে মরিয়া আলোচিত এসপি হুমায়ুন ধর্মের নামে বিভাজনের রাজনীতির সুযোগ নেই : মির্জা ফখরুল গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে হত্যা চেষ্টা মামলা চালকের প্রার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি: ইসি আনোয়ারুল আটকের সময় রাহুল গান্ধীকে পুলিশ সদস্যের বার্তা—‘মোদিকে হটাও’ পোশাক শিল্পের বিকাশে যা প্রয়োজন, সরকার তাই করবে : প্রধানমন্ত্রী যেকোনো সময় ইসরায়েলে হামলা, হিজবুল্লাহকে প্রস্তুত থাকতে বললো ইরান যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন অ্যান্ডি বার্নহ্যাম সরকারের প্রধান লক্ষ্য মানুষের কল্যাণ নিশ্চিত করা : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

তীব্র গরমে শিশু ও নবজাতকের যত্ন এবং সুরক্ষায় যা করবেন

Ayesha Siddika | আপডেট: ০৫ আগস্ট ২০২৬ - ০৩:৩৫:২১ পিএম

লাইফ ষ্টাইল ডেস্ক : দেশজুড়ে অব্যাহত তাপপ্রবাহে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। অতিরিক্ত গরমে বড়দের পাশাপাশি সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে শিশু ও নবজাতকরা। তারা নিজেদের অস্বস্তি বা শারীরিক সমস্যার কথা স্পষ্টভাবে জানাতে পারে না, তাই এ সময়ে তাদের প্রতি বিশেষ নজর দেওয়া জরুরি।

গরমে বাড়ছে শিশুদের অসুস্থতা

বিশেষজ্ঞদের মতে, গরমের মৌসুমে শিশুদের মধ্যে ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া, সর্দি-কাশি, চর্মরোগসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্য সমস্যা বেড়ে যেতে পারে। উচ্চ তাপমাত্রায় খাবার দ্রুত নষ্ট হওয়া এবং জীবাণুর বিস্তার বাড়ার কারণে এসব রোগের ঝুঁকি তৈরি হয়। এছাড়া অতিরিক্ত ঘামের কারণে শিশুদের শরীরে পানিশূন্যতা ও হিটস্ট্রোকের আশঙ্কাও বাড়ে।

তীব্র রোদ এড়িয়ে চলুন

প্রচণ্ড রোদ শিশুদের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। বিশেষ করে সকাল ১১টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত সূর্যের তাপ সবচেয়ে বেশি থাকে, তাই এ সময়ে শিশুদের বাইরে না নেওয়াই ভালো। প্রয়োজন হলে ছাতা ব্যবহার, শরীর ঢেকে রাখা এবং রোদ থেকে সুরক্ষার ব্যবস্থা করতে হবে। নবজাতকদের সরাসরি সূর্যের আলো থেকে দূরে রাখা উচিত।

শরীরে পানির ঘাটতি হতে দেবেন না

গরমে শিশুদের শরীর থেকে দ্রুত পানি বের হয়ে যেতে পারে। তাই পানিশূন্যতা রোধে পর্যাপ্ত তরল গ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। ছয় মাসের কম বয়সি শিশুদের জন্য মায়ের দুধই প্রধান ও পর্যাপ্ত খাবার। বড় শিশুদের ক্ষেত্রে নিরাপদ পানি, ফলের রস এবং পানি সমৃদ্ধ খাবার দেওয়া যেতে পারে।

খাবারের মানের দিকে নজর দিন

গরমের সময় শিশুদের বাইরের খাবার না দেওয়াই নিরাপদ। ঘরে তৈরি তাজা ও পুষ্টিকর খাবার যেমন দুধ, ডিম, ফল এবং সবজি খাওয়াতে হবে। একই ধরনের খাবারে একঘেয়েমি তৈরি হলে বিভিন্ন ধরনের স্বাস্থ্যকর খাবার দিয়ে শিশুর আগ্রহ বাড়ানো যেতে পারে।

ঘরের পরিবেশ রাখুন স্বস্তিদায়ক

শিশুর থাকার জায়গা ঠান্ডা ও আরামদায়ক রাখা প্রয়োজন। দিনের বেলায় অতিরিক্ত গরম বাতাস ঠেকাতে জানালা বন্ধ রাখা যেতে পারে এবং সন্ধ্যার পর বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা করতে হবে। ঘরে ভেজা কাপড় বা পানিভর্তি পাত্র রাখলেও কিছুটা ঠান্ডা পরিবেশ তৈরি হতে পারে।

পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা গুরুত্বপূর্ণ

গরমে শিশুর শরীর পরিষ্কার রাখা অত্যন্ত জরুরি। নিয়মিত গোসল করানো, ঘাম হলে দ্রুত মুছে দেওয়া এবং ধুলাবালি থেকে দূরে রাখা উচিত। এতে বিভিন্ন সংক্রমণ ও ত্বকের সমস্যার ঝুঁকি কমে।

পোশাকেও প্রয়োজন আরাম

গরমে শিশুদের জন্য হালকা, ঢিলেঢালা ও সুতি কাপড় সবচেয়ে উপযোগী। এতে শরীরে বাতাস চলাচল করে এবং ঘামাচি ও অস্বস্তি কম হয়। নবজাতকদের অতিরিক্ত কাপড়ে মুড়িয়ে না রেখে আরামদায়ক হালকা পোশাক পরানো ভালো।

তীব্র গরমে শিশুদের যত্নে অবহেলা বড় ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করতে পারে। তাই অভিভাবকদের সচেতন থাকা, শিশুর শারীরিক পরিবর্তন খেয়াল করা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়াই তাদের সুস্থ রাখার অন্যতম উপায়।

 

 

আয়শা/০৫ অগাস্ট ২০২৬,/বিকাল ৩:৩৪

▎সর্বশেষ

ad