টাঙ্গাইল মহাসড়কের চন্দ্রায় ১৫ কিলোমিটার যানজট, চরম ভোগান্তি

superadmin | আপডেট: ২৫ মে ২০২৬ - ০৯:০৪:১৩ পিএম

ডেস্কনিউজঃ গাজীপুরের শিল্প-কারখানাগুলোতে সোমবার দুপুরের পর ছুটি শুরু হলে মহাসড়কে ঘরমুখো যাত্রীদের চাপ বাড়তে থাকে। সেই সঙ্গে বাড়তে থাকে যানবাহনের চাপ।

সবচেয়ে বেশি যানবাহনের চাপ ছিল ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের চন্দ্রায়। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে থাকে যানবাহনের সারি। এতে প্রথমে ধীরগতি ও পরে যানজট সৃষ্টি হতে থাকে। সোমবার বিকেলে সাভারের নবীনগর থেকে চন্দ্রা ত্রিমোড় পর্যন্ত সড়কের কয়েকটি অংশে ১৫ কিলোমিটারজুড়ে যানজট দেখা দেয়।

এতে যানবাহন থমকে শুরু হয় ভোগান্তি। রাতেও ওই এলাকায় তীব্র যানজট ছিল। ত্রিমোড়ে উত্তরবঙ্গগামী বাস কাউন্টারগুলোতে যাত্রীর জন্য বাস দাঁড়িয়ে থাকা, যত্রতত্র গাড়ি পার্কিং, অবৈধ স্টপেজে যাত্রী উঠানামা এবং সড়কের বিভিন্ন স্থানে ছোটখাটো যানবাহনের চাপের কারণে গাড়ি সামনে অগ্রসর হতে পারছিল না।

এদিকে, সন্ধ্যার পর ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের কড্ডা থেকে চন্দ্রা ত্রিমোড় পর্যন্ত ১০ কিলোমিটার এলাকায় যানবাহন প্রায় স্থবির হয়ে আছে।

অন্যদিকে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের টঙ্গী, বোর্ডবাজার, চান্দনা চৌরাস্তা ও শ্রীপুরের মাওনা এলাকায়ও দীর্ঘ যানজট রয়েছে। চান্দনা চৌরাস্তা এলাকায় মহাসড়কের একাংশ দখল করে বাস ও অন্যান্য যানবাহন দাঁড়িয়ে থাকায় লেন সংকুচিত হয়ে পড়েছে। এতে করে কিছুক্ষণ পরপর যানবাহনের সারি তৈরি হচ্ছে। অনেক যাত্রীদের বাস ছাড়াও খোলা ট্রাক ও পিকআপে করে গন্তব্যে যেতে দেখা গেছে। যাত্রীদের অভিযোগ, সড়কে পরিবহনের সংকট না থাকলেও সুযোগ বুঝে কয়েকগুণ বেশি ভাড়া আদায় করছে চালক ও সহকারীরা।

নাওজোড় হাইওয়ে থানার ওসি সওগাতুল আলম জানান, শিল্প-কারখানা ছুটি হওয়ায় দুপুরের পর থেকে মহাসড়কে চাপ কয়েকগুণ বেড়েছে। ঈদযাত্রা নির্বিঘ্নে রাখতে হাইওয়ে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে এবং যানজট নিরসনে তারা নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন।

বিপুল/২৫.০৫.২০২৬/রাত ৯.৫৮

▎সর্বশেষ

ad