
ডেস্ক নিউজ : বিশ্বের প্রকৌশলীদের শীর্ষ সংগঠন ওয়ার্ল্ড ফেডারেশন অব ইঞ্জিনিয়ারিং অরগানাইজেশন (ডব্লিউএফইও) এবং ইনস্টিটিউট অব ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্দোনেশিয়া (পিআইআই)-এর যৌথ উদ্যোগে ৩–৫ মার্চ ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তায় স্থায়ী উন্নয়নের জন্য বিশ্ব প্রকৌশল দিবস-২০২৬-এর বিশ্ব সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বিশ্ব সম্মেলনে দেশের প্রকৌশল পেশার সর্বোচ্চ প্রতিষ্ঠান ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ (আইইবি)’র আট সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল অংশগ্রহণ করে।
আইইবির প্রতিনিধি দলে ছিলেন আইইবির ভাইস-প্রেসিডেন্ট (এইচআরডি) প্রকৌশলী শেখ আল আমিন, ভাইস-প্রেসিডেন্ট (সার্ভিসেস অ্যান্ড ওয়েলফেয়ার) প্রকৌশলী নিয়াজ উদ্দিন ভূঁইয়া, ভাইস-প্রেসিডেন্ট (প্রশাসন ও অর্থ) প্রকৌশলী এ. টি. এম. তানবীর-উল হাসান (তমাল), সম্মানী সহকারী সাধারণ সম্পাদক (প্রশাসন ও অর্থ) প্রকৌশলী মুহাম্মদ আহসানুল রাসেল, সম্মানী সহকারী সাধারণ সম্পাদক (একাডেমিক অ্যান্ড আন্তর্জাতিক), প্রকৌশলী মোহাম্মদ মাহবুব আলম, সম্মানী সহকারী সাধারণ সম্পাদক (এইচআরডি) প্রকৌশলী মো. নূর আমিন, সম্মানী সহকারী সাধারণ সম্পাদক (সার্ভিসেস অ্যান্ড ওয়েলফেয়ার) প্রকৌশলী সাব্বির আহমেদ ওসমানী, কেমিকৌশল বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. প্রকৌশলী সালমা আখতার।
ইউনেস্কোর সরাসরি তত্ত্বাবধানে ও সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত এই বিশ্ব প্রকৌশলী দিবসের প্রতিপাদ্য বিষয় নির্ধারণ করা হয়েছে—‘উদ্ভাবন এবং ডিজিটালাইজেশনের মাধ্যমে টেকসই ভবিষ্যতের জন্য স্মার্ট ইঞ্জিনিয়ারিং’।
সম্মেলনে টেকসই উন্নয়নের জন্য প্রকৌশলের অপরিহার্য ভূমিকার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে, বিশেষত জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার ‘এসডিজি-৯: শিল্প, উদ্ভাবন এবং অবকাঠামো’ বাস্তবায়নে প্রকৌশলের অবদানকে গুরুত্ব দেওয়া হবে।
আন্তর্জাতিক সম্মেলন অংশ নিয়েছেন বিভিন্ন দেশের মন্ত্রী ও জ্যেষ্ঠ সরকারি কর্মকর্তা, আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক সংস্থার প্রধান, বহুপাক্ষিক উন্নয়ন প্রতিষ্ঠানের নেতৃবৃন্দ, শিল্প ও আর্থিক খাতের নির্বাহী কর্মকর্তা, বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ ব্যক্তিত্ব এবং বৈশ্বিক বিজ্ঞান ও প্রকৌশল সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরা।
সম্মেলনে উদ্ভাবন, ডিজিটালাইজেশন এবং টেকসই ও সহনশীল অবকাঠামো উন্নয়নসংক্রান্ত অগ্রাধিকারমূলক বিষয়গুলো নিয়ে উচ্চপর্যায়ের আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
৩ মার্চ ডব্লিউএফইও’র এক্সিকিউটিভ কাউন্সিল ও এক্সিকিউটিভ বোর্ডসহ গভর্ন্যান্স সংস্থাগুলোর বৈঠক হয়েছে। সেখানে কৌশলগত দিকনির্দেশনা, গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ ও সিদ্ধান্ত নিয়ে আলোচনা হয়, যা বিশ্ব প্রকৌশলী দিবস ২০২৬-এর প্রতিপাদ্য বাস্তবায়নে ফেডারেশনের অবদান নিয়ে আলোচনা হয়েছে। ৪ মার্চ শিল্প, উদ্ভাবন এবং অবকাঠামো উন্নয়নের কৌশল ও আগামীর পরিকল্পনা প্রনয়ণ করা হয়। ৫ মার্চ ডব্লিউএফইও এর কার্যক্রম, কারিগরিক গভীরতা এবং বাস্তব প্রয়োগ সম্পর্কিত বিষয়ে আলোচনা করা হয়।
প্রতিনিধি দলের পক্ষে সহকারী সাধারণ সম্পাদক (প্রশাসন ও অর্থ) প্রকৌশলী মুহাম্মদ আহসানুল রাসেল বলেন, ৩২টি দেশের প্রকৌশলী, প্রকৌশল পেশায় সংশ্লিষ্ট সকলের মাঝে বাংলাদেশের প্রকৌশল দক্ষতা, সক্ষমতা তুলে ধরা হয়। সদ্য নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রকৌশল পেশা সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী ইশতেহার, ভিশন ও মিশন বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিদের কাছে তুলে ধরা হয়। তাছাড়া গ্লোবাল নেটওয়ার্কে বাংলাদেশকে সংযুক্ত করে দেশের কারিগরিক দক্ষতা বাড়িয়ে বেকারত্ব সমস্যা দূর করতে সার্বিক সহযোগিতা চাওয়া হয়।
অনিমা/০৫ মার্চ ২০২৬,/রাত ১০:৫৪






